তেলের অতিরিক্ত মূল্য প্রত্যাহারের দাবিতে ও শাহবাগে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উপর পুলিশী হামলার প্রতিবাদে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) মশাল মিছিল ও সমাবেশ পালন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাম ছাত্র-সংগঠনগুলো.
রোববার (০৭ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭.৩০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলা থেকে মশাল মিছিল বের হয়ে ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শহীদ বুদ্ধিজীবী চত্বরে সমাবেশে মিলিত হোন তারা।
শেখ হাসিনা গধিতে আগুন জালাও এক সাথে’, ‘ভিপি নূরের সৈনিকেরা এক হও এক হও’, ‘তেলের দাম বাড়লো কেন? প্রশাসন জবাব চাই’, ‘ছিহ! ছিহ! শেখ হাসিনা, লজ্জায় বাঁচিনা’ এমন সব স্লোগান দিতে থাকেন নেতাকর্মীরা।
রাবি শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাকিব হাসানের সঞ্চালনায় এবং রাকসু আন্দোলন মঞ্চের সমন্বয়ক আব্দুল মজিদ অন্তরের সভাপতিত্বে রাবি ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি মো. নাঈমুল ইসলাম নাইম বলেন,বিশ্ববাজারে দিন দিন তেলের দাম কমছে। গত বৃহস্পতিবারও (৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি পণ্যটির দর হ্রাস পেয়েছে। প্রতি ব্যারেলের মূল্য নেমেছে ৯০ ডলারের নিচে।
অথচ বাংলাদেশে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম ৪২.৫% বেড়ে হয়েছে প্রতি লিটার ১১৪ টাকা। পেট্রোলের দাম ৫১.১৬% বেড়ে প্রতি লিটারের দাম হয়েছে ১৩০ টাকা। আর অকটেনের দাম বেড়েছে ৫১.৬৮%, প্রতি লিটার কিনতে গুনতে হবে ১৩৫ টাকা।
এটা দেশের জন্য অশুভ সংকেত।মেগা প্রজেক্টের নামে মেগা দূর্নীতির ফলস্বরূপ রিজার্ভ কমে গেছে। যার প্রভাব পড়েছে দেশজুড়ে।এভাবে একের পর এক দাম বৃদ্ধির নজির বাংলাদেশের ইতিহাসে নাই, তাই এখন সময় এসেছে প্রতিবাদ করার। জনগণকে এখন ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এমন দূর্নীতিবাজ ও মাফিয়াতন্ত্রের বিরুদ্ধে, তাহলেই মুক্তি সম্ভব।
এসময় শাখা নাগরিক ছাত্র ঐক্যের সভাপতি মেহেদী হাসান,ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি নাঈমুল ইসলাম এবং ছাত্র ফেডারেশন এর সাধারণ সম্পাদক মহব্বত হোসেন মিলন প্রমুখ
এসময় অবিলম্বে তেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম কমানোর দাবি জানানো হয়।
একইসাথে গতকাল রাজশাহীতে ছাত্র ও যুব অধিকারের প্রতিবাদ মিছিলে এবং আজকে শাহবাগে ছাত্র নেতৃবৃন্দের উপর ন্যাক্কারজনক পুলিশী হামলার প্রতিবাদ জানানো হয়।দাবি না মানলে আন্দোলন চলমান রাখারও ঘোষণা দেওয়া হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

























