বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স ২১ করছে ভারত

ভারতে বিয়ের ক্ষেত্রে মেয়েদের ন্যূনতম বয়স বাড়িয়ে ২১ বছর করা হবে। বুধবার দেশটির কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে। এতদিন ১৮ বছর হলেই সেখানে মেয়েরা বিয়ে করতে পারতো। ছেলেদের ক্ষেত্রে বিয়ের ন্যূনতম বয়স অবশ্য ২১ বছরই থাকছে।

গত প্রজাতন্ত্র দিবসের ভাষণে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঘোষণা দিয়েছিলেন, মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স বাড়িয়ে ২১ করা হবে। এরপর এ বিষয়ে নীতি প্রয়োগের একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। চলতি মাসে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে সেই টাস্কফোর্স। এতে বয়স বাড়ানোর পক্ষেই মত দিয়েছে তারা। তারপরেই মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন পায়।

মেয়েদের স্বাস্থ্য, পুষ্টি, সন্তানধারণের বিষয়টি মাথায় রেখে বিয়ের ন্যূনতম বয়স বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদী সরকার। মেয়েরা দেরি করে বিয়ে করলে পরিবার ও তাদের আর্থিক, সামাজিক ও বাচ্চাদের ওপর একটি ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মন্ত্রিসভায় প্রস্তাব পাসের পর এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে শিশু বিবাহ আইন, বিশেষ বিবাহ আইন ও হিন্দু বিবাহ আইনে সংশোধন আনবে ভারত সরকার। ভারতীয় সংসদে সেটি পাস হলেই চালু হবে নতুন ব্যবস্থা।

ইউনিসেফের প্রতিবেদন বলছে, ভারতে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগেই প্রতি বছর অন্তত ১৫ লাখ মেয়েকে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হয়। এদিক থেকে বিশ্বের মধ্যে এক নম্বরে রয়েছে তারা। দেশটিতে ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সী মেয়েদের ১৬ শতাংশ বিবাহিত।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতে আগের তুলনায় ১৮ বছরের কম বয়সী মেয়েদের বিয়ের সংখ্যা কমেছে। তবে তা এখনো সন্তোষজনক নয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স ২১ করছে ভারত

প্রকাশিত সময় : ০৮:৫৮:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২১

ভারতে বিয়ের ক্ষেত্রে মেয়েদের ন্যূনতম বয়স বাড়িয়ে ২১ বছর করা হবে। বুধবার দেশটির কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে। এতদিন ১৮ বছর হলেই সেখানে মেয়েরা বিয়ে করতে পারতো। ছেলেদের ক্ষেত্রে বিয়ের ন্যূনতম বয়স অবশ্য ২১ বছরই থাকছে।

গত প্রজাতন্ত্র দিবসের ভাষণে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঘোষণা দিয়েছিলেন, মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স বাড়িয়ে ২১ করা হবে। এরপর এ বিষয়ে নীতি প্রয়োগের একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। চলতি মাসে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে সেই টাস্কফোর্স। এতে বয়স বাড়ানোর পক্ষেই মত দিয়েছে তারা। তারপরেই মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন পায়।

মেয়েদের স্বাস্থ্য, পুষ্টি, সন্তানধারণের বিষয়টি মাথায় রেখে বিয়ের ন্যূনতম বয়স বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদী সরকার। মেয়েরা দেরি করে বিয়ে করলে পরিবার ও তাদের আর্থিক, সামাজিক ও বাচ্চাদের ওপর একটি ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মন্ত্রিসভায় প্রস্তাব পাসের পর এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে শিশু বিবাহ আইন, বিশেষ বিবাহ আইন ও হিন্দু বিবাহ আইনে সংশোধন আনবে ভারত সরকার। ভারতীয় সংসদে সেটি পাস হলেই চালু হবে নতুন ব্যবস্থা।

ইউনিসেফের প্রতিবেদন বলছে, ভারতে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগেই প্রতি বছর অন্তত ১৫ লাখ মেয়েকে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হয়। এদিক থেকে বিশ্বের মধ্যে এক নম্বরে রয়েছে তারা। দেশটিতে ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সী মেয়েদের ১৬ শতাংশ বিবাহিত।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতে আগের তুলনায় ১৮ বছরের কম বয়সী মেয়েদের বিয়ের সংখ্যা কমেছে। তবে তা এখনো সন্তোষজনক নয়।