বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নতুন বছরে করোনার অবসান: ডব্লিউএইচওর প্রধান

নতুন বছরে পৃথিবী থেকে মহামারি করোনাভাইরাসের অবসান হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রধান তেদরোস আধানম গেব্রেয়াসুস।

শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) ২০২১ সালের শেষ দিনে লিঙ্কডইনে নতুন বছরের বার্তায় তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, নতুন বছরের শুরুতে একটি বিবৃতি দিয়েছেন ডব্লিউএইচওর প্রধান। এতে তিনি টিকা নিয়ে জাতীয়তাবাদী আচরণ ও টিকার মজুতের বিষয়ে সতর্কবার্তাও উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, “দুই বছরে আমরা এখন এই ভাইরাসকে ভালভাবে জেনেছি। মাস্ক ব্যবহার, ভিড় এড়ানো, শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, বায়ুপ্রবাহ ঠিক রাখা, করোনা পরীক্ষা করা এবং সংক্রমণের উৎস খোঁজার মাধ্যমে আমরা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে শিখেছি।”

ডব্লিউইচও প্রধান বলেন, “চিকিৎসা ব্যবস্থার কারণে করোনায় গুরুতর অসুস্থ ও আক্রান্তদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বেড়েছে। এসব শিক্ষা এবং সামর্থ্য দিয়ে মহামারির অবসান ঘটানোর সুযোগ আমাদের হাতে আছে।”

তবে একই সঙ্গে সতর্কবার্তা দিয়ে তেদরোস আধানম বলেন, “টিকা নিয়ে যত বৈষম্য হবে, মহামারি তত দীর্ঘায়িত হবে।”

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বলেন, “দুই বছরে করোনার মোকাবিলার সরঞ্জামগুলো অসমভাবে বিতরণ করা হয়েছে। যেখানে আফ্রিকায় প্রতি চারজন স্বাস্থ্যকর্মীর তিনজনই ভ্যাকসিন পাননি। সেখানে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে বুস্টার ডোজ দেওয়া শুরু হয়েছে।”

তিনি জানান, ২০২২ সালের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে বৈশ্বিক ভ্যাকসিন কর্মসূচির আওতায় বিশ্বের ৭০ শতাংশ মানুষের ভ্যাকসিন নিশ্চিত করতে সরকারগুলোর সঙ্গে কাজ করবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
সূত্র: বিবিসি

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

নতুন বছরে করোনার অবসান: ডব্লিউএইচওর প্রধান

প্রকাশিত সময় : ০২:৪০:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ জানুয়ারী ২০২২

নতুন বছরে পৃথিবী থেকে মহামারি করোনাভাইরাসের অবসান হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রধান তেদরোস আধানম গেব্রেয়াসুস।

শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) ২০২১ সালের শেষ দিনে লিঙ্কডইনে নতুন বছরের বার্তায় তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, নতুন বছরের শুরুতে একটি বিবৃতি দিয়েছেন ডব্লিউএইচওর প্রধান। এতে তিনি টিকা নিয়ে জাতীয়তাবাদী আচরণ ও টিকার মজুতের বিষয়ে সতর্কবার্তাও উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, “দুই বছরে আমরা এখন এই ভাইরাসকে ভালভাবে জেনেছি। মাস্ক ব্যবহার, ভিড় এড়ানো, শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, বায়ুপ্রবাহ ঠিক রাখা, করোনা পরীক্ষা করা এবং সংক্রমণের উৎস খোঁজার মাধ্যমে আমরা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে শিখেছি।”

ডব্লিউইচও প্রধান বলেন, “চিকিৎসা ব্যবস্থার কারণে করোনায় গুরুতর অসুস্থ ও আক্রান্তদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বেড়েছে। এসব শিক্ষা এবং সামর্থ্য দিয়ে মহামারির অবসান ঘটানোর সুযোগ আমাদের হাতে আছে।”

তবে একই সঙ্গে সতর্কবার্তা দিয়ে তেদরোস আধানম বলেন, “টিকা নিয়ে যত বৈষম্য হবে, মহামারি তত দীর্ঘায়িত হবে।”

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বলেন, “দুই বছরে করোনার মোকাবিলার সরঞ্জামগুলো অসমভাবে বিতরণ করা হয়েছে। যেখানে আফ্রিকায় প্রতি চারজন স্বাস্থ্যকর্মীর তিনজনই ভ্যাকসিন পাননি। সেখানে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে বুস্টার ডোজ দেওয়া শুরু হয়েছে।”

তিনি জানান, ২০২২ সালের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে বৈশ্বিক ভ্যাকসিন কর্মসূচির আওতায় বিশ্বের ৭০ শতাংশ মানুষের ভ্যাকসিন নিশ্চিত করতে সরকারগুলোর সঙ্গে কাজ করবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
সূত্র: বিবিসি