শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেগেটিভ মন্তব্যকেও পজেটিভভাবেই নিচ্ছি

ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা পূজা চেরী বলেছেন, ‘আসলে সমালোচনা-আলোচনা মিলিয়েই একটা কাজ হয়। অনেকেই পজেটিভ ছিল, অনেকেই নেগেটিভ ছিল, তো পজেটিভকে পজেটিভভাবেই নিচ্ছি, নেগেটিভ মন্তব্যকেও পজেটিভভাবেই নিচ্ছি। কারণ যদি খারাপটাকে না শুনতে পাই, তাহলে পরবর্তীতে ভালো করার আগ্রহ খুঁজে পাই না। খারাপটা শুনেছি বলেই পরবর্তীতে আমাদের আরও ভালো করতে হবে- এটা মাথায় আসে।’

শুক্রবার (৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় স্টার সিনেপ্লেক্সে পূজা চেরী অভিনীত চলচ্চিত্র ‘হৃদিতা’ সিনেমাটি দেখেছেন নিজেও। পরে গণমাধ্যমের কাছে অনুভতি ব্যক্ত করে এসব কথা বলেন তিনি।

পূজা চেরী বলেন, ‘দর্শক হয়ে আসলে ওইরকম কিছু বলব না। পূজা চেরী হয়েই বলি। আমাদেরও কাজ করতে হয়। আমাদেরও কিছু বলতে ইচ্ছে করে। চেষ্টা করছি ভালো কাজ করার। দর্শকদের বলব, আপনারা হলে আসুন। ভালো হলে ভালো বলুন, খারাপ হলে খারাপ বলুন। তবে বলব আগে সিনেমাটা দেখেন, তারপর জাজ করেন। সিনেমা না দেখে কোনো মন্তব্য করা ঠিক নয়, সেটা খারাপ দেখায়।’

পূজা বলেন, ‘মার্কিং করার কোনো যোগ্যতা আমি রাখি না। কারণ আমি চাইও না এ রকম মার্কিং করার। কিন্তু দর্শকদের বলব, হৃদিতা ১০ এ কত পেয়েছে? আমি দর্শকদের ওপর ছেড়ে দিয়েছি। আমি নিজে মার্কিং করতে চাই না।’

পূজা আরও বলেন, ‘ইস্পাহানি আরিফ জাহান স্যার তারা তো অসাধারণ ডিরেক্টর। তারা অনেক হিট হিট সিনেমাও উপহার দিয়েছেন। সেই জায়গা থেকেই তাদের সঙ্গে হৃদিতায় যুক্ত হওয়া। খুবই ভালো লেগেছে। আরিফ ভাইয়ার কথা বলব, উনি তো খুবই ফানি একজন মানুষ। ইস্পাহানি ভাইয়াও খুব ভালো। তারা দুজনই খুব ভালো।’

এবিএম সুমনের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা জানতে চাইলে পূজা চেরী বলেন, ‘আমার তো ওনার সঙ্গে কাজ করে ভালোই লেগেছে। এখন আমাদের রসায়ন কেমন লাগল সেটা দর্শক বলবে। দর্শকের কাছেই আমার প্রশ্ন আমাদের কেমিস্ট্রি কেমন লাগল, কেমন এনজয় করলেন, দর্শকই আমাদের সেটা জানাবেন।’

সমালোচনা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পূজা বলেন, ‘যখন আমি কোনো কাজ শুরু করি সেটা হতে পারে ফিল্ম বা ওয়েব ফিল্ম- একটা না একটা প্রত্যাশা নিয়েই কাজ শুরু করি। কাজ করার সময়েই একটা অনুমান করা যায় যে কাজটা হয়তো ভালো হবে। তো হৃদিতায় যখন কাজ করছিলাম তখন মনে হচ্ছিল যে, যেহেতু এটা আনিসুল হক স্যারের গল্প এবং গল্পটা এত অসাধারণ আর এতে খুব গুণী গুণী আর্টিস্টরা কাজ করেছেন- সাবেরী আলম ম্যাম, মানস বন্দ্যোপাধ্যায় স্যার। আরও অনেকেই কাজ করেছেন। এবিএম সুমন ভাইয়া ছিলেন। তো সব মিলিয়েই আশা জাগছিল যে, এই সিনেমাটা খুব ভালো হবে এবং হলে যখন মানুষ সিনেমাটা দেখল তখন অনেকেই ভালো বলেছেন।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

স্থানীয় নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাও অংশ নিতে পারবে: আইনমন্ত্রী

নেগেটিভ মন্তব্যকেও পজেটিভভাবেই নিচ্ছি

প্রকাশিত সময় : ১২:৩৮:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অক্টোবর ২০২২

ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা পূজা চেরী বলেছেন, ‘আসলে সমালোচনা-আলোচনা মিলিয়েই একটা কাজ হয়। অনেকেই পজেটিভ ছিল, অনেকেই নেগেটিভ ছিল, তো পজেটিভকে পজেটিভভাবেই নিচ্ছি, নেগেটিভ মন্তব্যকেও পজেটিভভাবেই নিচ্ছি। কারণ যদি খারাপটাকে না শুনতে পাই, তাহলে পরবর্তীতে ভালো করার আগ্রহ খুঁজে পাই না। খারাপটা শুনেছি বলেই পরবর্তীতে আমাদের আরও ভালো করতে হবে- এটা মাথায় আসে।’

শুক্রবার (৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় স্টার সিনেপ্লেক্সে পূজা চেরী অভিনীত চলচ্চিত্র ‘হৃদিতা’ সিনেমাটি দেখেছেন নিজেও। পরে গণমাধ্যমের কাছে অনুভতি ব্যক্ত করে এসব কথা বলেন তিনি।

পূজা চেরী বলেন, ‘দর্শক হয়ে আসলে ওইরকম কিছু বলব না। পূজা চেরী হয়েই বলি। আমাদেরও কাজ করতে হয়। আমাদেরও কিছু বলতে ইচ্ছে করে। চেষ্টা করছি ভালো কাজ করার। দর্শকদের বলব, আপনারা হলে আসুন। ভালো হলে ভালো বলুন, খারাপ হলে খারাপ বলুন। তবে বলব আগে সিনেমাটা দেখেন, তারপর জাজ করেন। সিনেমা না দেখে কোনো মন্তব্য করা ঠিক নয়, সেটা খারাপ দেখায়।’

পূজা বলেন, ‘মার্কিং করার কোনো যোগ্যতা আমি রাখি না। কারণ আমি চাইও না এ রকম মার্কিং করার। কিন্তু দর্শকদের বলব, হৃদিতা ১০ এ কত পেয়েছে? আমি দর্শকদের ওপর ছেড়ে দিয়েছি। আমি নিজে মার্কিং করতে চাই না।’

পূজা আরও বলেন, ‘ইস্পাহানি আরিফ জাহান স্যার তারা তো অসাধারণ ডিরেক্টর। তারা অনেক হিট হিট সিনেমাও উপহার দিয়েছেন। সেই জায়গা থেকেই তাদের সঙ্গে হৃদিতায় যুক্ত হওয়া। খুবই ভালো লেগেছে। আরিফ ভাইয়ার কথা বলব, উনি তো খুবই ফানি একজন মানুষ। ইস্পাহানি ভাইয়াও খুব ভালো। তারা দুজনই খুব ভালো।’

এবিএম সুমনের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা জানতে চাইলে পূজা চেরী বলেন, ‘আমার তো ওনার সঙ্গে কাজ করে ভালোই লেগেছে। এখন আমাদের রসায়ন কেমন লাগল সেটা দর্শক বলবে। দর্শকের কাছেই আমার প্রশ্ন আমাদের কেমিস্ট্রি কেমন লাগল, কেমন এনজয় করলেন, দর্শকই আমাদের সেটা জানাবেন।’

সমালোচনা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পূজা বলেন, ‘যখন আমি কোনো কাজ শুরু করি সেটা হতে পারে ফিল্ম বা ওয়েব ফিল্ম- একটা না একটা প্রত্যাশা নিয়েই কাজ শুরু করি। কাজ করার সময়েই একটা অনুমান করা যায় যে কাজটা হয়তো ভালো হবে। তো হৃদিতায় যখন কাজ করছিলাম তখন মনে হচ্ছিল যে, যেহেতু এটা আনিসুল হক স্যারের গল্প এবং গল্পটা এত অসাধারণ আর এতে খুব গুণী গুণী আর্টিস্টরা কাজ করেছেন- সাবেরী আলম ম্যাম, মানস বন্দ্যোপাধ্যায় স্যার। আরও অনেকেই কাজ করেছেন। এবিএম সুমন ভাইয়া ছিলেন। তো সব মিলিয়েই আশা জাগছিল যে, এই সিনেমাটা খুব ভালো হবে এবং হলে যখন মানুষ সিনেমাটা দেখল তখন অনেকেই ভালো বলেছেন।’