শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাজার নিয়ন্ত্রণে কঠোর হওয়ার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে কড়া নজরদারির নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

মঙ্গলবার (১১ অক্টোবর) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভার সূচনা বক্তব্যে তিনি এই নির্দেশনা দেন।

প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ফিব্রি কনফারেন্সের মাধ্যমে একনেক সভায় সভাপতিত্ব করেন।

কোভিড মহামারী ও ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে বিশ্ব অর্থনীতির পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক প্ররিস্থিতি বিবেচনায় দেশের অর্থনীতি কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ নিয়ে সরকার বিপর্যস্ত। তারপরও সরকার এ থেকে উত্তরণে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

“যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য মূল্যস্ফিতির মধ্যে পড়েছে। সেখানে আমরা ছোট দেশ, আমরাও এফেক্টেড হয়েছি।”

উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ বাজার ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণেরও গুরুত্ব দেন শেখ হাসিনা।

বাজারে সরবরাহ যাতে ব্যহত না হয়, সে ব্যপারে নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, “চাল, ভোজ্যতেলের বাজার এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। আমাদের মজুদ আছে ।”

বিদ্যুৎ ও পানি ব্যবস্থাপনায় সবাইকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, “প্রাকৃতিক এবং মনুষ্যসৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলা করে বাংলাদেশকে এগিয়ে যেতে হবে। দেশের জনগণই সরকারের মূল শক্তি। করোনার মতো যুদ্ধকালীন সংকট থেকেও দেশকে মুক্ত করতে হবে।”

সভার শুরুতেই প্রধানমন্ত্রীকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভায় অংশগ্রহণ করায় শুভেচ্ছা জানান মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা। এছাড়া তাকে ৭৬তম জন্মদিনের শুভেচ্ছাও জানানো হয়।

একেনেক সভায় মোট ৭টি প্রকল্প উপস্থাপিত হয়। এর মধ্যে মোট ৭ হাজার ১৮ কোটি ৭৩ লাখ টাকার ৬টি প্রকল্প অনুমোদন পায়।

এসব প্রকল্পে সরকারের অর্থায়ন ৪ হাজার ৩৬২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক অর্থায়ন ২ হাজার ৩৮৬ কোটি ৪৮ লাখ টাকা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

স্থানীয় নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাও অংশ নিতে পারবে: আইনমন্ত্রী

বাজার নিয়ন্ত্রণে কঠোর হওয়ার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত সময় : ০৫:৩৩:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অক্টোবর ২০২২

নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে কড়া নজরদারির নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

মঙ্গলবার (১১ অক্টোবর) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভার সূচনা বক্তব্যে তিনি এই নির্দেশনা দেন।

প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ফিব্রি কনফারেন্সের মাধ্যমে একনেক সভায় সভাপতিত্ব করেন।

কোভিড মহামারী ও ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে বিশ্ব অর্থনীতির পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক প্ররিস্থিতি বিবেচনায় দেশের অর্থনীতি কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ নিয়ে সরকার বিপর্যস্ত। তারপরও সরকার এ থেকে উত্তরণে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

“যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য মূল্যস্ফিতির মধ্যে পড়েছে। সেখানে আমরা ছোট দেশ, আমরাও এফেক্টেড হয়েছি।”

উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ বাজার ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণেরও গুরুত্ব দেন শেখ হাসিনা।

বাজারে সরবরাহ যাতে ব্যহত না হয়, সে ব্যপারে নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, “চাল, ভোজ্যতেলের বাজার এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। আমাদের মজুদ আছে ।”

বিদ্যুৎ ও পানি ব্যবস্থাপনায় সবাইকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, “প্রাকৃতিক এবং মনুষ্যসৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলা করে বাংলাদেশকে এগিয়ে যেতে হবে। দেশের জনগণই সরকারের মূল শক্তি। করোনার মতো যুদ্ধকালীন সংকট থেকেও দেশকে মুক্ত করতে হবে।”

সভার শুরুতেই প্রধানমন্ত্রীকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভায় অংশগ্রহণ করায় শুভেচ্ছা জানান মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা। এছাড়া তাকে ৭৬তম জন্মদিনের শুভেচ্ছাও জানানো হয়।

একেনেক সভায় মোট ৭টি প্রকল্প উপস্থাপিত হয়। এর মধ্যে মোট ৭ হাজার ১৮ কোটি ৭৩ লাখ টাকার ৬টি প্রকল্প অনুমোদন পায়।

এসব প্রকল্পে সরকারের অর্থায়ন ৪ হাজার ৩৬২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক অর্থায়ন ২ হাজার ৩৮৬ কোটি ৪৮ লাখ টাকা।