সম্প্রতি এক টক শোতে জেনিফার লোপেজ বলেন, জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক হলো নিজের সঙ্গে। তার মতে, কোনো সম্পর্কই একজন মানুষের আত্মসম্মান, মানসিক শান্তি কিংবা আত্মবিশ্বাসের চেয়ে বড় হতে পারে না।
বিচ্ছেদ নিয়েও ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন জেনিফার। তিনি বলেন, কোনো সম্পর্ক যদি দুই পক্ষের জন্যই ভালো না হয়, তাহলে সেটি শেষ করার সিদ্ধান্তকে ব্যর্থতা নয়, বরং সাহস হিসেবে দেখা উচিত। তার ভাষায়, অনেক সময় একটি সম্পর্কের সমাপ্তিই জীবনের নতুন দরজা খুলে দেয়।
সম্পর্ক ভাঙার পর অনেকেই একাকিত্বকে ভয় পান। তবে জেনিফারের মতে, একা থাকতে শেখাও জীবনের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা। নিজের কঠিন সময়গুলোতে তিনি ধ্যান, শরীরচর্চা, কাজ এবং সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তুলেছেন।
জেনিফার আরও বলেন, একটি সম্পর্ক শুধু ভালোবাসা বা রোমান্টিক অনুভূতির ওপর টিকে থাকে না। পারস্পরিক সম্মান, বিশ্বাস, ধৈর্য এবং খোলামেলা যোগাযোগ ছাড়া কোনো সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না। শুধু একা থাকার ভয় থেকে সম্পর্কে থাকা উচিত নয়; বরং এমন সম্পর্কেই থাকা উচিত, যেখানে দুজন মানুষই একে অপরের বিকাশে ভূমিকা রাখেন।
চারবারের বৈবাহিক জীবনের অভিজ্ঞতা তাকে ভালোবাসা থেকে দূরে সরিয়ে দেয়নি। বরং তিনি শিখেছেন, নতুন করে শুরু করার সুযোগ সবসময় থাকে। তার মতে, সম্পর্ক ভেঙে গেলেও জীবন থেমে থাকে না; বরং সেই অভিজ্ঞতাই মানুষকে আরও শক্ত, আত্মবিশ্বাসী ও পরিণত করে তোলে।
৫৭ বছর বয়সে এসে জেনিফার লোপেজের বার্তা একটাই—ভালোবাসুন, তবে নিজের মূল্য ভুলে নয়। সম্পর্ককে সম্মান দিন, কিন্তু নিজের সুখ ও আত্মসম্মানকেও সমান গুরুত্ব দিন। কারণ জীবনের সবচেয়ে দীর্ঘ সম্পর্কটি আসলে নিজের সঙ্গেই।

বিনোদন ডেস্ক/ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম 




















