দেশটির বৃহত্তম স্কুল ডিস্ট্রিক্টে নেওয়া এ সিদ্ধান্তকে যুক্তরাষ্ট্রে স্কুল পর্যায়ে এআই ব্যবহারের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত নেওয়া অন্যতম কঠোর পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। শ্রেণিকক্ষে প্রযুক্তিনির্ভরতা কমিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর মানবিক যোগাযোগ ও শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
তিনি বলেন, শিশুদের শেখা ও স্বাভাবিক বিকাশের জন্য শিক্ষকের উপস্থিতি এবং মানবিক সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সহপাঠীদের সঙ্গে কাজ করে দক্ষতা বাড়ানো, শিক্ষকদের সঙ্গে আন্তরিক সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং নিজেদের সক্ষমতায় কঠিন সমস্যার মোকাবিলা করতে শেখাই শিক্ষার্থীদের জন্য বেশি জরুরি।
৬ লাখ শিক্ষার্থী নিষেধাজ্ঞার আওতায়
তবে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু কাজে এআই ব্যবহারের সুযোগ থাকছে। পাশাপাশি পাঠ পরিকল্পনা তৈরি, সময়সূচি প্রস্তুতসহ বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজে শিক্ষকদের এআই ব্যবহারের অনুমতিও বহাল থাকবে।
অন্যান্য শহরেও নীতিমালা পর্যালোচনা
নিউ ইয়র্কের এই সিদ্ধান্তের পর যুক্তরাষ্ট্রের অন্যন্য স্কুল ডিস্ট্রিক্টও এআই ব্যবহারের নীতিমালা নতুন করে পর্যালোচনা করছে। লস অ্যাঞ্জেলেসসহ বেশ কয়েকটি ডিস্ট্রিক্ট জানিয়েছে, শ্রেণিকক্ষে এআই ব্যবহারের বর্তমান নিয়মকানুন তারা পর্যালোচনা করছে।
এদিকে নিউ ইয়র্কের নতুন সিদ্ধান্ত নিয়ে মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি এআই খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান গুগল, অ্যানথ্রপিক ও মাইক্রোসফট।
২০২২ সালে চ্যাটজিপিটি উন্মুক্ত হওয়ার পরপরই নিউ ইয়র্ক সিটির সরকারি স্কুলগুলোতে এআই ব্যবহারে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল।
পরবর্তীতে সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। এর পরিবর্তে বিশেষায়িত একটি এআইচালিত টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্ট চালু করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে চ্যাটজিপিটির নির্মাতা ওপেনএআইয়ের অংশীদার মাইক্রোসফট।
নতুন করে এক বছরের নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিউ ইয়র্ক সিটি স্কুল পর্যায়ে এআই ব্যবহারের বিষয়ে আরও সতর্ক ও নিয়ন্ত্রিত নীতির দিকে এগোচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম 























