সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে কাজ করছে সরকার : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ পুনরুদ্ধারে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সাথে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। একই সঙ্গে তিনি পাচার হওয়া সম্পদ দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের দৃঢ় প্রত্যয় পুনরুক্ত করেছেন।

আজ রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ পুনরুদ্ধারে আমরা আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সাথে কাজ করছি। সম্পদ চিহ্নিত ও উদ্ধারের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে একটি অংশীদারিত্ব স্থাপন করেছে। এছাড়া এই পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া সহজ করতে আইনি এবং ফরেনসিক দক্ষতা সম্পন্ন অন্যান্য দেশের সাথেও সরকার যোগাযোগ রক্ষা করছে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, যাদের আইনি ও ফরেনসিক দক্ষতা রয়েছে, আমরা সেসব দেশের সাথে আলোচনা করছি। পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার আইনি এবং কূটনৈতিক উভয় পথই ব্যবহার করবে।

পাচারকৃত অর্থ জনগণের সম্পদ হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, এগুলো দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জনগণের এই চুরি হওয়া টাকা ও সম্পদ বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার হওয়ার অভিযোগ এবং তা পুনরুদ্ধারে সরকারের আন্তর্জাতিক তৎপরতা নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে কাজ করছে সরকার : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত সময় : ০৯:৪৯:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ পুনরুদ্ধারে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সাথে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। একই সঙ্গে তিনি পাচার হওয়া সম্পদ দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের দৃঢ় প্রত্যয় পুনরুক্ত করেছেন।

আজ রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ পুনরুদ্ধারে আমরা আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সাথে কাজ করছি। সম্পদ চিহ্নিত ও উদ্ধারের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে একটি অংশীদারিত্ব স্থাপন করেছে। এছাড়া এই পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া সহজ করতে আইনি এবং ফরেনসিক দক্ষতা সম্পন্ন অন্যান্য দেশের সাথেও সরকার যোগাযোগ রক্ষা করছে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, যাদের আইনি ও ফরেনসিক দক্ষতা রয়েছে, আমরা সেসব দেশের সাথে আলোচনা করছি। পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার আইনি এবং কূটনৈতিক উভয় পথই ব্যবহার করবে।

পাচারকৃত অর্থ জনগণের সম্পদ হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, এগুলো দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জনগণের এই চুরি হওয়া টাকা ও সম্পদ বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার হওয়ার অভিযোগ এবং তা পুনরুদ্ধারে সরকারের আন্তর্জাতিক তৎপরতা নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।