ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসের ডাকসু সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি রাখা নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া সম্প্রতি ঘটে যাওয়া আরও দুটি ঘটনার তদন্তে আলাদা তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিগুলোকে আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে সুপারিশসহ প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বলা হয়েছে।
আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো হলো ডাকসুর ‘ডিইউ ইভ্যালুয়েশন’ নামের একটি নতুন ওয়েবসাইট চালু, অনুমতি ছাড়া ‘নির্ভীক জুলাই’ নামের দুটি স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন এবং ডাকসু সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ও ছাত্রসংঘের নেতা আবদুল মালেকের ছবি টানানোর ঘটনা খতিয়ে দেখতে এসব কমিটি গঠন করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সার্বিক শৃঙ্খলা ও প্রাতিষ্ঠানিক পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩-এর ১২(৩) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এসব কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি কমিটিকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে সুপারিশসহ পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পরে আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেবে।
এতে বলা হয়, ডাকসু সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ এবং তৎকালীন ছাত্রসংঘের বিতর্কিত নেতা আবদুল মালেকের ছবি হঠাৎ প্রদর্শন ও টানানোর ঘটনা খতিয়ে দেখতে পাঁচ সদস্যের পৃথক একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে।
প্রো-ভাইস চ্যান্সেলরকে (প্রশাসন) আহ্বায়ক করে গঠিত এই কমিটিতে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে আইন অনুষদের ডিন, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন ও প্রক্টরকে। এস্টেট ম্যানেজার এই কমিটিরও সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।
এত আরও বলা হয়, ডাকসু কর্তৃক ‘ডিইউ ইভ্যালুয়েশন’ নামের একটি ওয়েবসাইট চালুর পেছনে প্রশাসনিক অনুমোদন ও কারিগরি দিকগুলো তদন্তে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলরকে (প্রশাসন) আহ্বায়ক করে ছয় সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি করা হয়েছে।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা), আইন অনুষদের ডিন, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন ও ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেলের (আইকিউএসি) পরিচালক। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এতে সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া কলাভবন-সংলগ্ন ডাকসু ভবনের পশ্চিম পাশে ও কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে ‘নির্ভীক জুলাই’ নামের দুটি স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপনের বিষয়টি তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এই কমিটির আহ্বায়ক প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন)। অন্য সদস্যরা হলেন বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন, আইন অনুষদের ডিন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর। এস্টেট ম্যানেজারকে কমিটির সদস্যসচিব করা হয়েছে।

ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 






















