বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘যন্তর মন্তর ছাড়ব না’: দিল্লিতে চ্যালেঞ্জ রাহুলসহ বিরোধীদের

দিল্লিতে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র শীর্ষ নেতাদের এক উচ্চপর্যায়ের চা-চক্র শেষে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ সরকার এবং নির্বাচন কমিশনকে কড়া বার্তা দিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। খবর আনন্দবাজারের।

সুপ্রিম কোর্ট অভিযানের পর মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাহুল গান্ধীর বাসভবনে আয়োজিত এই বৈঠকে জোটের ভবিষ্যৎ আন্দোলন ও রণকৌশল চূড়ান্ত করা হয়।

বৈঠক শেষে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে রাহুল গান্ধী হুংকার দিয়ে বলেন, ‘নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারদের ঘিরে “ঘেরা জাল গুটিয়ে আসছে।” নির্বাচন ব্যবস্থা ও সংবিধান ধ্বংসের চেষ্টার বিরুদ্ধে এই লড়াইয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে তিনি স্পষ্ট জানান।

তবে আগামী দিনে বিরোধী জোট ঠিক কী ধরনের আন্দোলনের পথে হাঁটবে, সে বিষয়ে এখনই মুখ খুলতে নারাজ রাহুল; তিনি জানান, আন্দোলনের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে বিরোধী শিবিরের পরিকল্পনা এক বিরাট ‘সারপ্রাইজ’ বা চমক হতে চলেছে।

এ সময় বিরোধীরা যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভের স্থান হিসেবে নিষিদ্ধ বা ডিনোটিফাই করার সরকারি সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানান।

সরকারের এই পদক্ষেপের সমালোচনা করে রাহুল গান্ধী চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন যে, বিরোধী দলের কণ্ঠ রোধ করতে সরকার যন্তর মন্তরকে বন্ধ করতে চাইলেও তারা পিছু হটবেন না এবং যন্তর মন্তরও ছাড়বেন না।

কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেসহ জোটের অন্যান্য শরিক দলের শীর্ষ নেতারাও এক সুরে জানান যে, ভোটের অনিয়ম ও গণতন্ত্রের ওপর আঘাতের বিরুদ্ধে এই যৌথ আন্দোলন আরও তীব্র আকারে দেশজুড়ে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

‘যন্তর মন্তর ছাড়ব না’: দিল্লিতে চ্যালেঞ্জ রাহুলসহ বিরোধীদের

প্রকাশিত সময় : ০৯:১৬:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

দিল্লিতে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র শীর্ষ নেতাদের এক উচ্চপর্যায়ের চা-চক্র শেষে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ সরকার এবং নির্বাচন কমিশনকে কড়া বার্তা দিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। খবর আনন্দবাজারের।

সুপ্রিম কোর্ট অভিযানের পর মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাহুল গান্ধীর বাসভবনে আয়োজিত এই বৈঠকে জোটের ভবিষ্যৎ আন্দোলন ও রণকৌশল চূড়ান্ত করা হয়।

বৈঠক শেষে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে রাহুল গান্ধী হুংকার দিয়ে বলেন, ‘নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারদের ঘিরে “ঘেরা জাল গুটিয়ে আসছে।” নির্বাচন ব্যবস্থা ও সংবিধান ধ্বংসের চেষ্টার বিরুদ্ধে এই লড়াইয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে তিনি স্পষ্ট জানান।

তবে আগামী দিনে বিরোধী জোট ঠিক কী ধরনের আন্দোলনের পথে হাঁটবে, সে বিষয়ে এখনই মুখ খুলতে নারাজ রাহুল; তিনি জানান, আন্দোলনের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে বিরোধী শিবিরের পরিকল্পনা এক বিরাট ‘সারপ্রাইজ’ বা চমক হতে চলেছে।

এ সময় বিরোধীরা যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভের স্থান হিসেবে নিষিদ্ধ বা ডিনোটিফাই করার সরকারি সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানান।

সরকারের এই পদক্ষেপের সমালোচনা করে রাহুল গান্ধী চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন যে, বিরোধী দলের কণ্ঠ রোধ করতে সরকার যন্তর মন্তরকে বন্ধ করতে চাইলেও তারা পিছু হটবেন না এবং যন্তর মন্তরও ছাড়বেন না।

কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেসহ জোটের অন্যান্য শরিক দলের শীর্ষ নেতারাও এক সুরে জানান যে, ভোটের অনিয়ম ও গণতন্ত্রের ওপর আঘাতের বিরুদ্ধে এই যৌথ আন্দোলন আরও তীব্র আকারে দেশজুড়ে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।