রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্ত্রীকে খুনে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

সাত বছর আগে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে খুনের অপরাধে স্বামী মিজানুর রহমান প্রকাশ ওরফে মিজান হোসেনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (২৫ অক্টোবর) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ দণ্ড দেন। দণ্ডিত আসামি কারাগারে আটক আছেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০০৮ সালে মিজানের সঙ্গে মোসা. রেহানার বিয়ে হয়। তাদের দু’টি কন্যা সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন সময় রেহানার বাবা যৌতুক হিসেবে অর্থ, স্বর্ণালংকার দেন মিজানকে। এসব নেওয়ার পরও ৫০ হাজার টাকা দাবি করে মিজান। ২০১৯ সালের ২৫ জুলাই যৌতুকের জন্য রেহানাকে কেরানীগঞ্জের চর মীরেরবাগ এলাকায় মারধর করেন মিজান। পরে তাকে গলাটিপে হত্যা করেন।

পরদিন মিজানের ভাই মো. আব্বাস দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। মিজান গ্রেপ্তার হওয়ার পর আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার এসআই (উপপরিদর্শক) আক্কাস মিয়া আসামি মিজানকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। বিচার চলাকালে ট্রাইব্যুনাল ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

স্ত্রীকে খুনে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত সময় : ১০:৫১:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

সাত বছর আগে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে খুনের অপরাধে স্বামী মিজানুর রহমান প্রকাশ ওরফে মিজান হোসেনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (২৫ অক্টোবর) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ দণ্ড দেন। দণ্ডিত আসামি কারাগারে আটক আছেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০০৮ সালে মিজানের সঙ্গে মোসা. রেহানার বিয়ে হয়। তাদের দু’টি কন্যা সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন সময় রেহানার বাবা যৌতুক হিসেবে অর্থ, স্বর্ণালংকার দেন মিজানকে। এসব নেওয়ার পরও ৫০ হাজার টাকা দাবি করে মিজান। ২০১৯ সালের ২৫ জুলাই যৌতুকের জন্য রেহানাকে কেরানীগঞ্জের চর মীরেরবাগ এলাকায় মারধর করেন মিজান। পরে তাকে গলাটিপে হত্যা করেন।

পরদিন মিজানের ভাই মো. আব্বাস দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। মিজান গ্রেপ্তার হওয়ার পর আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার এসআই (উপপরিদর্শক) আক্কাস মিয়া আসামি মিজানকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। বিচার চলাকালে ট্রাইব্যুনাল ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে।