বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আসিফ নজরুল ও তার পিএস মাসুমের বিরুদ্ধে দুদকে আবেদন

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এবং তার পিএস শামসুদ্দিন মাসুমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানে দুর্নীতি দমন কমিশনে আবেদন করা হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম সারোয়ার হোসেন এ দুদক চেয়ারম্যান ও কমিশনারের বরাবর বুধবার এ আবেদন করা হয়েছে।

আবেদনে বলা হয়, পিএস শামসুদ্দিন মাসুমের মাধ্যমে এই সমস্ত ঘুষ লেনদেন হয়েছে।

আবেদনে ৩ মার্চ একটি জাতীয় দৈনিকে ‘আসিফ নজরুলের সময়ে আইন মন্ত্রণালয়: ৮ মাসে সাব-রেজিস্ট্রার বদলিতে ঘুষ লেনদেন শতকোটি’ শীর্ষক প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের আট মাসে আইন মন্ত্রণালয়ে শুধু সাব-রেজিস্ট্রার বদলিতেই ঘুষ লেনদেন হয়েছে শতকোটি টাকা। তৎকালীন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের আমলে সাব-রেজিস্ট্রার বদলির ক্ষেত্রে কোনো ধরনের নীতিমালা মানা হয়নি।

ঘুষের বিনিময়ে বদলির ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুত টাকা পরিশোধ না করায় বদলির আদেশ স্থগিত করার প্রমাণও পাওয়া গেছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে কাউকে কাউকে ছয়-সাত মাসের মধ্যে তিন-চার বার বদলি করা হয়েছে।

আট মাসে (অক্টোবর-২৪ থেকে এপ্রিল-২৫ পর্যন্ত) নিবন্ধন অধিদপ্তরের ৪০৩ জন সাব-রেজিস্ট্রারের মধ্যে কমপক্ষে ২৮২ জনকে বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে অন্তত ২০০ জন ঘুষের মাধ্যমে পছন্দের সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে বদলি বাগিয়ে নিয়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে, জনপ্রতি ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকার বিনিময়ে পছন্দের অফিসে বদলির আদেশ পেয়েছেন তারা। অতীতে কখনো মাত্র আট মাসে এত বিপুলসংখ্যক বদলির ঘটনা ঘটেনি।

বদলির নীতিমালা অনুযায়ী সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’ গ্রেডের অফিসে অনুরূপভাবে ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’ গ্রেডের কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়ন করার বিধান রয়েছে। কিন্তু আট মাসে এই নীতিমালার তোয়াক্কা করা হয়নি।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আনুশকার রেকর্ড ভাঙলেন সামান্থা

আসিফ নজরুল ও তার পিএস মাসুমের বিরুদ্ধে দুদকে আবেদন

প্রকাশিত সময় : ০৬:৩২:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এবং তার পিএস শামসুদ্দিন মাসুমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানে দুর্নীতি দমন কমিশনে আবেদন করা হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম সারোয়ার হোসেন এ দুদক চেয়ারম্যান ও কমিশনারের বরাবর বুধবার এ আবেদন করা হয়েছে।

আবেদনে বলা হয়, পিএস শামসুদ্দিন মাসুমের মাধ্যমে এই সমস্ত ঘুষ লেনদেন হয়েছে।

আবেদনে ৩ মার্চ একটি জাতীয় দৈনিকে ‘আসিফ নজরুলের সময়ে আইন মন্ত্রণালয়: ৮ মাসে সাব-রেজিস্ট্রার বদলিতে ঘুষ লেনদেন শতকোটি’ শীর্ষক প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের আট মাসে আইন মন্ত্রণালয়ে শুধু সাব-রেজিস্ট্রার বদলিতেই ঘুষ লেনদেন হয়েছে শতকোটি টাকা। তৎকালীন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের আমলে সাব-রেজিস্ট্রার বদলির ক্ষেত্রে কোনো ধরনের নীতিমালা মানা হয়নি।

ঘুষের বিনিময়ে বদলির ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুত টাকা পরিশোধ না করায় বদলির আদেশ স্থগিত করার প্রমাণও পাওয়া গেছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে কাউকে কাউকে ছয়-সাত মাসের মধ্যে তিন-চার বার বদলি করা হয়েছে।

আট মাসে (অক্টোবর-২৪ থেকে এপ্রিল-২৫ পর্যন্ত) নিবন্ধন অধিদপ্তরের ৪০৩ জন সাব-রেজিস্ট্রারের মধ্যে কমপক্ষে ২৮২ জনকে বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে অন্তত ২০০ জন ঘুষের মাধ্যমে পছন্দের সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে বদলি বাগিয়ে নিয়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে, জনপ্রতি ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকার বিনিময়ে পছন্দের অফিসে বদলির আদেশ পেয়েছেন তারা। অতীতে কখনো মাত্র আট মাসে এত বিপুলসংখ্যক বদলির ঘটনা ঘটেনি।

বদলির নীতিমালা অনুযায়ী সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’ গ্রেডের অফিসে অনুরূপভাবে ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’ গ্রেডের কর্মকর্তাদের বদলি ও পদায়ন করার বিধান রয়েছে। কিন্তু আট মাসে এই নীতিমালার তোয়াক্কা করা হয়নি।’