শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কৃষক কার্ডের জন্য ১ হাজার কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ থাকছে

বাজেটে ‘কৃষক কার্ড’ দেওয়ার জন্য প্রাথমিকভাবে এক হাজার ৬২ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করতে পারে সরকার। দেশের ১০০টি উপজেলায় সাড়ে ৪২ লাখ কৃষককে এ কার্ড দেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে নতুন বাজেট পেশ করবেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

কৃষক কার্ডের মাধ্যমে ভূমিহীন ও প্রান্তিক কৃষকরা প্রতিবছর একবার আড়াই হাজার টাকা করে নগদ সহায়তা পাবেন।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার হলো কৃষিকে জাতীয় সমৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত করা। কৃষি খাতে মৌলিক রূপান্তর আনতে এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় ১০টি সেবা পৌঁছে দিতে গত পয়লা বৈশাখ আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি চালু করেছিল সরকার।

প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ব্যবধান দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। বাজেটের বিশাল এই ঘাটতি পূরণে সরকার অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক—দুই উৎস থেকেই অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

আর্জেন্টিনার মোটরসাইকেল শোভাযাত্রায় ব্রাজিল সমর্থকদের থ্রি-পিস বিতরণ

কৃষক কার্ডের জন্য ১ হাজার কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ থাকছে

প্রকাশিত সময় : ০৫:২৬:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
বাজেটে ‘কৃষক কার্ড’ দেওয়ার জন্য প্রাথমিকভাবে এক হাজার ৬২ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করতে পারে সরকার। দেশের ১০০টি উপজেলায় সাড়ে ৪২ লাখ কৃষককে এ কার্ড দেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে নতুন বাজেট পেশ করবেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

কৃষক কার্ডের মাধ্যমে ভূমিহীন ও প্রান্তিক কৃষকরা প্রতিবছর একবার আড়াই হাজার টাকা করে নগদ সহায়তা পাবেন।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার হলো কৃষিকে জাতীয় সমৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত করা। কৃষি খাতে মৌলিক রূপান্তর আনতে এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় ১০টি সেবা পৌঁছে দিতে গত পয়লা বৈশাখ আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি চালু করেছিল সরকার।

প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ব্যবধান দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। বাজেটের বিশাল এই ঘাটতি পূরণে সরকার অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক—দুই উৎস থেকেই অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছে।