বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বক্তব্য প্রত্যাহার করে ফুয়াদকে ক্ষমা চাইতে হবে: ছাত্রদল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের বক্তব্যকে ঔদ্ধত্যপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। অবিলম্বে এ বক্তব্য প্রত্যাহার করে তাকে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ছাত্রদলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ কথা বলা হয়। ছাত্রদলের সাধারণ সম্পদক নাছির উদ্দিনের পক্ষ থেকে এ বার্তা দেওয়া হয়।

পোস্টে ছাত্রদল জানায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি ব্যারিস্টার ফুয়াদদের এত আক্রোশের কারণ কী? কারণ একটাই, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইতিহাসের যে যে বাঁকে বাংলাদেশের পক্ষে অবদান রেখেছে, সেই সেই বাঁকে বাংলাদেশের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে ফুয়াদ সাহেবের পেয়ারের সংগঠন জামায়াতে ইসলামী।

ছাত্রদল জানায়, ১৯৪৭-এর দেশভাগ, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৭১-এর মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ ও বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্ম, ১৯৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন; সব জায়গায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছিল ইতিহাসের ঠিক প্রান্তে, ঠিক দিকে। আর ফুয়াদ সাহেবের প্রিয় জামায়াতে ইসলামী ছিল দেশ ও জনগণের বিপক্ষে, ইতিহাসের ভুল প্রান্তে। এই ভুলের গ্লানি ও ক্ষোভ ফুয়াদ সাহেবরা মননে লালন করেন।

পোস্টে আরও বলা হয়, ব্যারিস্টার ফুয়াদের এ বক্তব্য শুধু ঔদ্ধত্যপূর্ণই নয়, পাশাপাশি ইতিহাসের ভুল ব্যাখ্যা। এ বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবময় ইতিহাসকে কলঙ্কিত করার অপচেষ্টা করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে অবমাননাকর ও অসত্য বক্তব্যের জন্য তাকে অবশ্যই ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে এবং অতি সত্বর এই বক্তব্য তাকে প্রত্যাহার করে নিতে হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আনুশকার রেকর্ড ভাঙলেন সামান্থা

বক্তব্য প্রত্যাহার করে ফুয়াদকে ক্ষমা চাইতে হবে: ছাত্রদল

প্রকাশিত সময় : ০৬:৫০:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের বক্তব্যকে ঔদ্ধত্যপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। অবিলম্বে এ বক্তব্য প্রত্যাহার করে তাকে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ছাত্রদলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ কথা বলা হয়। ছাত্রদলের সাধারণ সম্পদক নাছির উদ্দিনের পক্ষ থেকে এ বার্তা দেওয়া হয়।

পোস্টে ছাত্রদল জানায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি ব্যারিস্টার ফুয়াদদের এত আক্রোশের কারণ কী? কারণ একটাই, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইতিহাসের যে যে বাঁকে বাংলাদেশের পক্ষে অবদান রেখেছে, সেই সেই বাঁকে বাংলাদেশের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে ফুয়াদ সাহেবের পেয়ারের সংগঠন জামায়াতে ইসলামী।

ছাত্রদল জানায়, ১৯৪৭-এর দেশভাগ, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৭১-এর মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ ও বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্ম, ১৯৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন; সব জায়গায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছিল ইতিহাসের ঠিক প্রান্তে, ঠিক দিকে। আর ফুয়াদ সাহেবের প্রিয় জামায়াতে ইসলামী ছিল দেশ ও জনগণের বিপক্ষে, ইতিহাসের ভুল প্রান্তে। এই ভুলের গ্লানি ও ক্ষোভ ফুয়াদ সাহেবরা মননে লালন করেন।

পোস্টে আরও বলা হয়, ব্যারিস্টার ফুয়াদের এ বক্তব্য শুধু ঔদ্ধত্যপূর্ণই নয়, পাশাপাশি ইতিহাসের ভুল ব্যাখ্যা। এ বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবময় ইতিহাসকে কলঙ্কিত করার অপচেষ্টা করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে অবমাননাকর ও অসত্য বক্তব্যের জন্য তাকে অবশ্যই ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে এবং অতি সত্বর এই বক্তব্য তাকে প্রত্যাহার করে নিতে হবে।