এর মাধ্যমে আনুশকা শেঠির দীর্ঘদিনের একটি কীর্তিকে পেছনে ফেলেছেন এই অভিনেত্রী।
ফলে ২০০৯ সালে মুক্তি পাওয়া আনুশকা শেঠি অভিনীত ‘অরুন্ধতী’র ৭০ কোটি রুপির আয়কে ছাড়িয়ে গেছে এটি। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে তেলুগু ইন্ডাস্ট্রির নারীপ্রধান সিনেমাগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয়ের রেকর্ডটি ছিল ‘অরুন্ধতী’র দখলে।
তবে সামান্থার সামনে এখন আরও বড় লক্ষ্য। তেলুগু ভাষার নারীপ্রধান সিনেমার সর্বোচ্চ আয়ের রেকর্ড এখনও রয়েছে ২০১৮ সালের ‘মহনতি’র ঝুলিতে। কীর্তি সুরেশ অভিনীত সেই ছবির আয় ছিল ৮৩ কোটি রুপি।
তেলুগু চলচ্চিত্রে বরাবরই নায়কনির্ভর সিনেমার আধিপত্য দেখা যায়। ১০০, ৫০০ কিংবা ১ হাজার কোটি রুপির ক্লাবে সাধারণত পুরুষ তারকাদের ছবিই জায়গা করে নেয়। সেই বাস্তবতায় নারীপ্রধান একটি সিনেমার এমন বাণিজ্যিক সাফল্যকে ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন চলচ্চিত্র বিশ্লেষকরা।
প্রসঙ্গত, ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’ ছবিতে সামান্থা রুথ প্রভুর পাশাপাশি অভিনয় করেছেন গুলশান দেবাইয়া, দিগন্ত মানচালে, চৈতন্য কৃষ্ণ ও শ্রীমুখিসহ আরও অনেকে।

বিনোদন ডেস্ক/ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম 





















