সোমবার (৬ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন। সভায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, বিএসটিআই, সিটি করপোরেশন এবং মাঠপর্যায়ে ভেজালবিরোধী অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এবং বিএসটিআইয়ের কর্মকর্তারা জেলা পর্যায়ে জনবল সংকট, আধুনিক পরীক্ষাগারের অভাব, মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের ঘাটতি এবং প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনায় নিরাপত্তা ঝুঁকিসহ বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন। পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালতের ক্ষমতা আরও বাড়ানোরও দাবি জানান তারা।
প্রধানমন্ত্রী কর্মকর্তাদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
জনসচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, শুধু সরকারের উদ্যোগে নয়, নাগরিকদের দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমেও নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। এ প্রসঙ্গে তিনি রাজধানীর গুলশান লেকে আবর্জনা ফেলার প্রবণতার উদাহরণ তুলে ধরে পরিবেশ রক্ষায় সবার সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
সভায় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আব্দুস সাত্তার, বাণিজ্য সচিব আতাউর রহমান খান, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 























