স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, “সরকারি কেনাকাটায় অনেক সময় পছন্দের ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দিতে দরপত্রে (টেন্ডার) বিশেষ শর্ত এমনভাবে যুক্ত করা হয়, যাতে নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য কেউ যোগ্য বিবেচিত না হয়। পরে অডিটেও এ ধরনের অনিয়ম ধরা পড়ে।”
বুধবার (২৯ জুলাই) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ‘বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্যব্যবস্থার ঘাটতি নিরসন: সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার উপযোগী সেবা নিশ্চিত করতে ব্যয়দক্ষতার একটি দ্রুত প্রতিষ্ঠানভিত্তিক মূল্যায়ন’ শীর্ষক গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।
সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, সম্প্রতি তার মন্ত্রণালয়ের একটি ক্রয়সংক্রান্ত ফাইল দেখে সন্দেহ হওয়ায় তিনি সাতদিন তাতে সই করেননি। একাধিকবার ব্যাখ্যা চেয়েও সন্তোষজনক জবাব না পেয়ে পরে সই করেন। এরপর দ্বিতীয় সর্বনিম্ন দরদাতা রিভিউ বোর্ডে আপিল করলে আগের সিদ্ধান্ত বাতিল হয় এবং ওই প্রতিষ্ঠানই কাজ পায়। এতে তাঁর প্রাথমিক সন্দেহের সত্যতা প্রমাণিত হয়।
সরকারি ক্রয়ে পরিকল্পনাহীনতার উদাহরণ তুলে ধরে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ১১ কোটি টাকা মূল্যের দুটি রেডিওথেরাপি মেশিন ১৮ কোটি টাকায় কেনা হলেও প্রয়োজনীয় বাংকার নির্মাণ না করায় একটি ফরিদপুর ও অন্যটি খুলনায় এখনো অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। পরিকল্পনাহীন কেনাকাটার কারণে জনগণের অর্থের অপচয় হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

রিপোর্টারের নাম 

























