মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পদায়নের দেড় মাসের মাথায় ওএসডি

পদায়নের দেড় মাসের মাথায় ওএসডি হলেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর মো. হুমায়ূন কবীর (জুয়েল)।
রবিবার (৯ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয় তাঁকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে ওএসডি করে প্রজ্ঞাপন জারি করে ১৩ আগস্ট বৃহস্পতিবারের মধ্যে তাকে ঢাকায় যোগ দিতে বলা হয়েছে। তা না হলে সেদিন বিকেলে তিনি স্ট্যান্ড রিলিজ হয়েছেন বলে গণ্য করা হবে।
ইংরেজি বিভাগের প্রফেসর মো. হুমায়ূন কবীরকে গত ২৫ জুন মাউশির রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালক পদে পদায়ন করা হয়েছিল। দেড় মাসের মাথায় বদলির কারণ জানতে চাইলে মো. হুমায়ূন কবীর বলেন, ‘এটা তো আমি জানি না। এটা তো প্রশাসনিক ব্যাপার। পলিটিক্যাল ব্যাপার থাকতে পারে। কারও পছন্দ না হলে বদলি করাতে পারে।’
আওয়ামী লীগ আমলের সুবিধাভোগী হুমায়ূন কবীরকে নিয়ে রয়েছে নানা বিতর্ক।
২০১০ সালে তার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের মামলা হয়েছিল। পরে ২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারি আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়েছিলেন। ওই মামলায় আদালত তাকে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং এক হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছিলেন। ছয় মাস তিন দিন কারাগারে থাকার পর তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছিলেন। তবে ওই মামলায় আদালতে সাজা হওয়ায় ২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বরখাস্ত ছিলেন হুমায়ূন কবীর।
পরবর্তীতে তিনি চাকরি ফিরে পান। ২০২২ সালের ৯ জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সচিব ছিলেন।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

পদায়নের দেড় মাসের মাথায় ওএসডি

প্রকাশিত সময় : ১০:৪৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
পদায়নের দেড় মাসের মাথায় ওএসডি হলেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর মো. হুমায়ূন কবীর (জুয়েল)।
রবিবার (৯ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয় তাঁকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে ওএসডি করে প্রজ্ঞাপন জারি করে ১৩ আগস্ট বৃহস্পতিবারের মধ্যে তাকে ঢাকায় যোগ দিতে বলা হয়েছে। তা না হলে সেদিন বিকেলে তিনি স্ট্যান্ড রিলিজ হয়েছেন বলে গণ্য করা হবে।
ইংরেজি বিভাগের প্রফেসর মো. হুমায়ূন কবীরকে গত ২৫ জুন মাউশির রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালক পদে পদায়ন করা হয়েছিল। দেড় মাসের মাথায় বদলির কারণ জানতে চাইলে মো. হুমায়ূন কবীর বলেন, ‘এটা তো আমি জানি না। এটা তো প্রশাসনিক ব্যাপার। পলিটিক্যাল ব্যাপার থাকতে পারে। কারও পছন্দ না হলে বদলি করাতে পারে।’
আওয়ামী লীগ আমলের সুবিধাভোগী হুমায়ূন কবীরকে নিয়ে রয়েছে নানা বিতর্ক।
২০১০ সালে তার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের মামলা হয়েছিল। পরে ২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারি আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়েছিলেন। ওই মামলায় আদালত তাকে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং এক হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছিলেন। ছয় মাস তিন দিন কারাগারে থাকার পর তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছিলেন। তবে ওই মামলায় আদালতে সাজা হওয়ায় ২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বরখাস্ত ছিলেন হুমায়ূন কবীর।
পরবর্তীতে তিনি চাকরি ফিরে পান। ২০২২ সালের ৯ জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সচিব ছিলেন।