আজ এক অভিনন্দনবার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, জনগণের আকাঙ্ক্ষা এবং গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ইস্যুতে দেশের অবস্থান সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এ ভাষণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা ও অবস্থানকে আরও সমুন্নত করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন
রাষ্ট্রপতি বলেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, বিশ্বশান্তি, বহুপাক্ষিকতা, ফিলিস্তিন, রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, নারী ও যুবসমাজের ক্ষমতায়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ও অগ্রাধিকার তুলে ধরেছেন।
অভিনন্দনবার্তায় তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে সৃষ্ট তীব্র চাপ, জ্বালানি নিরাপত্তা-সংকট, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন সৃষ্টি এবং ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির ফলে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির অবনতির সঠিক চিত্র ফুটে উঠেছে।
প্রধানমন্ত্রীর ‘সবার আগে বাংলাদেশ : সবার জন্য বাংলাদেশ প্রত্যয়ের উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, এ বক্তব্যে জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার আকাক্সক্ষা প্রতিফলিত হয়েছে।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পর একই পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেওয়াকে রাষ্ট্রপতি একটি জাতির জন্য গৌরবময় ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেন।
রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য এবং তাঁর নিরাপদ ও সফল সফর কামনা করেন।

ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 























