বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্পেনে ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৪

স্পেনে ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৪ জনে পৌঁছেছে। কাস্তিয়া লা মাঞ্চা আঞ্চলিক সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। দুর্ঘটনার শিকার দুটি ট্রেনে ৫০০ জনের বেশি যাত্রী ছিল বলেও জানা যাচ্ছে। খবর বিবিসি।

কাস্তিয়া-লা মানচার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বেসরকারি অপারেটর ‘ইরিয়ো’-এর একটি ট্রেনে ১৪৭ জন এবং অন্য একটি ট্রেনে ৩৯৭ জন যাত্রী ছিলেন। তবে এখন পর্যন্ত তারা নিশ্চিত করতে পারেননি যে, ‘ইরিয়ো’ ট্রেনটি থেমে থাকা অবস্থায় দ্রুতগামী ট্রেনটি সেটির পেছনে ধাক্কা দিয়েছিল কি না।

উরদা শহরটি মাদ্রিদ থেকে প্রায় ১৪০ কিলোমিটার (১০০ মাইল) দক্ষিণে অবস্থিত।

জরুরি সেবাকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের সহায়তা করছেন এবং জীবিতদের খোঁজে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন।

ট্রেনের এক যাত্রী স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানান, যাত্রা শুরুর প্রায় ৪০ মিনিট পর একটি তীব্র ধাক্কা অনুভূত হয়।

ঘটনাস্থলে দমকলকর্মী, প্যারামেডিক ও অন্যান্য জরুরি সেবাকর্মীদের পাশাপাশি তিনটি হেলিকপ্টারও মোতায়েন করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সরকার মনে করছে সিগন্যালিং-সংক্রান্ত ত্রুটি এই দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ।

দেশটির জাতীয় রেল পরিচালনা প্রতিষ্ঠান রেনফে ট্রেন দুটিতে থাকা যাত্রীদের স্বজনদের জন্য একটি সহায়তা হটলাইন চালু করেছে।

এদিকে, পার্লামেন্ট দিনের নির্ধারিত সব কর্মসূচি বাতিল করেছে। প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে জানান, এ খবরে তিনি ‘মর্মাহত’। তিনি আহত ব্যক্তিদের এবং তাদের পরিবারের প্রতি সংহতি ও সমর্থনও প্রকাশ করেন।

গত জানুয়ারিতে একই রুটে দুটি ট্রেনের সংঘর্ষে ৪৬ জন নিহত হয়েছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

স্পেনে ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৪

প্রকাশিত সময় : ১০:৪৬:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

স্পেনে ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৪ জনে পৌঁছেছে। কাস্তিয়া লা মাঞ্চা আঞ্চলিক সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। দুর্ঘটনার শিকার দুটি ট্রেনে ৫০০ জনের বেশি যাত্রী ছিল বলেও জানা যাচ্ছে। খবর বিবিসি।

কাস্তিয়া-লা মানচার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বেসরকারি অপারেটর ‘ইরিয়ো’-এর একটি ট্রেনে ১৪৭ জন এবং অন্য একটি ট্রেনে ৩৯৭ জন যাত্রী ছিলেন। তবে এখন পর্যন্ত তারা নিশ্চিত করতে পারেননি যে, ‘ইরিয়ো’ ট্রেনটি থেমে থাকা অবস্থায় দ্রুতগামী ট্রেনটি সেটির পেছনে ধাক্কা দিয়েছিল কি না।

উরদা শহরটি মাদ্রিদ থেকে প্রায় ১৪০ কিলোমিটার (১০০ মাইল) দক্ষিণে অবস্থিত।

জরুরি সেবাকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের সহায়তা করছেন এবং জীবিতদের খোঁজে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন।

ট্রেনের এক যাত্রী স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানান, যাত্রা শুরুর প্রায় ৪০ মিনিট পর একটি তীব্র ধাক্কা অনুভূত হয়।

ঘটনাস্থলে দমকলকর্মী, প্যারামেডিক ও অন্যান্য জরুরি সেবাকর্মীদের পাশাপাশি তিনটি হেলিকপ্টারও মোতায়েন করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সরকার মনে করছে সিগন্যালিং-সংক্রান্ত ত্রুটি এই দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ।

দেশটির জাতীয় রেল পরিচালনা প্রতিষ্ঠান রেনফে ট্রেন দুটিতে থাকা যাত্রীদের স্বজনদের জন্য একটি সহায়তা হটলাইন চালু করেছে।

এদিকে, পার্লামেন্ট দিনের নির্ধারিত সব কর্মসূচি বাতিল করেছে। প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে জানান, এ খবরে তিনি ‘মর্মাহত’। তিনি আহত ব্যক্তিদের এবং তাদের পরিবারের প্রতি সংহতি ও সমর্থনও প্রকাশ করেন।

গত জানুয়ারিতে একই রুটে দুটি ট্রেনের সংঘর্ষে ৪৬ জন নিহত হয়েছিলেন।