বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ন্যাটো সদস্য দেশগুলো পূর্ব ইউরোপে জাহাজ ও যুদ্ধবিমান পাঠাচ্ছে

নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন (ন্যাটো) জানিয়েছে যে, তাদের সদস্য দেশগুলো, পূর্ব ইউরোপে আরও জাহাজ ও যুদ্ধবিমান পাঠাচ্ছে। ইউক্রেন সীমান্ত জুড়ে রাশিয়ার সামরিক শক্তিবৃদ্ধির প্রতিক্রিয়া হিসেবে এমনটা করা হচ্ছে।

সোমবার ন্যটোর এক বিবৃতিতে, একাধিক দেশ থেকে, সামরিক বাহিনী মোতায়েন বা অতিরিক্ত সৈন্য ও সরঞ্জাম পাঠানোর বিবেচনার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। দেশগুলির মধ্যে ডেনমার্ক, স্পেন, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ড এবং যুক্তরাষ্ট্র রয়েছে।

ন্যাটো মহাসচিব ইয়েন্স স্টলটেনবার্গ বলেন, “সকল মিত্রদের নিরাপত্তা দিতে ও রক্ষা করতে নেটো সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ অব্যাহত রাখবে, যার মধ্যে জোটটির পূর্ব অংশে প্রতিরক্ষা জোরদার করার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত। আমাদের নিরাপত্তা আবেশের কোন অবনতি হলে, আমরা সবসময়ই তাতে সাড়া দেব, যার একটি অংশ হল আমাদের সামষ্টিক প্রতিরক্ষা জোরদার করা।” ক্রেমলিনের মুখপাত্র দ্যিমিত্রি পেসকভ, যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের নেটো মিত্রদের বিরুদ্ধে, উত্তেজনা বৃদ্ধির অভিযোগ করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটেন, কিয়েভে অবস্থিত তাদের দূতাবাসের কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের, ইউক্রেন ছাড়তে নির্দেশ দিয়েছে। রাশিয়ার সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের কারণে এমন আদেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রক, যুক্তরাষ্ট্রের এমন সিদ্ধান্ত আমলে নিলেও, তাতে অসন্তোষ জানিয়েছে।

মুখপাত্র ওলেগ নিকোলেঙ্কো, সোমবার টুইটারের মাধ্যমে বলেন, “যদিও আমরা অন্যান্য রাষ্ট্রের, নিজেদের কূটনৈতিক মিশনগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিতের অধিকারকে শ্রদ্ধা করি, তবুও আমাদের বিশ্বাস, এমন একটি পদক্ষেপ প্রয়োজনের আগে নেওয়া হচ্ছে ও এটি অতিরিক্ত সতর্কতার লক্ষণ।”

ওয়াশিংটনে রোববার সন্ধ্যায়, এমন সিদ্ধান্তের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে, পররাষ্ট্র মন্ত্রকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সংবাদকর্মীদের বলেন যে, রাশিয়া ইউক্রেনে বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে এমন খবরের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সূত্র: ভয়েস অব আমেরিকা

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ন্যাটো সদস্য দেশগুলো পূর্ব ইউরোপে জাহাজ ও যুদ্ধবিমান পাঠাচ্ছে

প্রকাশিত সময় : ১১:০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২২

নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন (ন্যাটো) জানিয়েছে যে, তাদের সদস্য দেশগুলো, পূর্ব ইউরোপে আরও জাহাজ ও যুদ্ধবিমান পাঠাচ্ছে। ইউক্রেন সীমান্ত জুড়ে রাশিয়ার সামরিক শক্তিবৃদ্ধির প্রতিক্রিয়া হিসেবে এমনটা করা হচ্ছে।

সোমবার ন্যটোর এক বিবৃতিতে, একাধিক দেশ থেকে, সামরিক বাহিনী মোতায়েন বা অতিরিক্ত সৈন্য ও সরঞ্জাম পাঠানোর বিবেচনার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। দেশগুলির মধ্যে ডেনমার্ক, স্পেন, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ড এবং যুক্তরাষ্ট্র রয়েছে।

ন্যাটো মহাসচিব ইয়েন্স স্টলটেনবার্গ বলেন, “সকল মিত্রদের নিরাপত্তা দিতে ও রক্ষা করতে নেটো সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ অব্যাহত রাখবে, যার মধ্যে জোটটির পূর্ব অংশে প্রতিরক্ষা জোরদার করার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত। আমাদের নিরাপত্তা আবেশের কোন অবনতি হলে, আমরা সবসময়ই তাতে সাড়া দেব, যার একটি অংশ হল আমাদের সামষ্টিক প্রতিরক্ষা জোরদার করা।” ক্রেমলিনের মুখপাত্র দ্যিমিত্রি পেসকভ, যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের নেটো মিত্রদের বিরুদ্ধে, উত্তেজনা বৃদ্ধির অভিযোগ করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটেন, কিয়েভে অবস্থিত তাদের দূতাবাসের কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের, ইউক্রেন ছাড়তে নির্দেশ দিয়েছে। রাশিয়ার সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের কারণে এমন আদেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

ইউক্রেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রক, যুক্তরাষ্ট্রের এমন সিদ্ধান্ত আমলে নিলেও, তাতে অসন্তোষ জানিয়েছে।

মুখপাত্র ওলেগ নিকোলেঙ্কো, সোমবার টুইটারের মাধ্যমে বলেন, “যদিও আমরা অন্যান্য রাষ্ট্রের, নিজেদের কূটনৈতিক মিশনগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিতের অধিকারকে শ্রদ্ধা করি, তবুও আমাদের বিশ্বাস, এমন একটি পদক্ষেপ প্রয়োজনের আগে নেওয়া হচ্ছে ও এটি অতিরিক্ত সতর্কতার লক্ষণ।”

ওয়াশিংটনে রোববার সন্ধ্যায়, এমন সিদ্ধান্তের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে, পররাষ্ট্র মন্ত্রকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সংবাদকর্মীদের বলেন যে, রাশিয়া ইউক্রেনে বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে এমন খবরের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সূত্র: ভয়েস অব আমেরিকা