শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৬ ঘণ্টা পর সিলেটের কিছু স্থানে বিদ্যুৎ

প্রাণান্তকর চেষ্টার পরও সচল রাখা যায়নি সিলেটের কুমারগাঁও গ্রিড উপকেন্দ্র। বন্যার পানি ঢুকে পড়ায় বন্ধ করে দিতে হয়েছে বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রটি। ফলে ন্যাশনাল গ্রিড লাইন থেকে সিলেটে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে পড়েছে। শনিবার দুপুর সোয়া ১২টা থেকে পুরো সিলেট জেলা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

পানি সেচে সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপকেন্দ্রটি ফের চালু করা হলে সিলেট নগরীর কিছু স্থানে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়। তবে সুনামগঞ্জ জেলা এখনও বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগের সিলেটের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল কাদের বলেন, পানি উঠে যাওয়ায় আপাতত উপকেন্দ্রটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। তারপর আমরা চেষ্টা করে, পানি সেচে সিলেট মহানগরীর কিছু স্থানে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছি। এ গ্রিড বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পুরো সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলা বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন ছিল।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাত থেকে এ সাব স্টেশনে পানি উঠতে শুরু করে। শুক্রবার দুপুর থেকে এই কেন্দ্র সচল রাখতে যৌথভাবে কাজ শুরু করে সেনাবাহিনী, বিদ্যুৎ বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস ও সিটি করপোরেশন। বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চারপাশে বাঁধ নির্মাণ করেন তারা। তবে পানি দ্রুত বাড়তে থাকায় বন্ধ করে দিতে হয় উপকেন্দ্রটি।

সূত্র: যুগান্তর

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

৬ ঘণ্টা পর সিলেটের কিছু স্থানে বিদ্যুৎ

প্রকাশিত সময় : ০৩:১১:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুন ২০২২

প্রাণান্তকর চেষ্টার পরও সচল রাখা যায়নি সিলেটের কুমারগাঁও গ্রিড উপকেন্দ্র। বন্যার পানি ঢুকে পড়ায় বন্ধ করে দিতে হয়েছে বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রটি। ফলে ন্যাশনাল গ্রিড লাইন থেকে সিলেটে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে পড়েছে। শনিবার দুপুর সোয়া ১২টা থেকে পুরো সিলেট জেলা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

পানি সেচে সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপকেন্দ্রটি ফের চালু করা হলে সিলেট নগরীর কিছু স্থানে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়। তবে সুনামগঞ্জ জেলা এখনও বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগের সিলেটের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল কাদের বলেন, পানি উঠে যাওয়ায় আপাতত উপকেন্দ্রটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। তারপর আমরা চেষ্টা করে, পানি সেচে সিলেট মহানগরীর কিছু স্থানে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছি। এ গ্রিড বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পুরো সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলা বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন ছিল।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাত থেকে এ সাব স্টেশনে পানি উঠতে শুরু করে। শুক্রবার দুপুর থেকে এই কেন্দ্র সচল রাখতে যৌথভাবে কাজ শুরু করে সেনাবাহিনী, বিদ্যুৎ বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস ও সিটি করপোরেশন। বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চারপাশে বাঁধ নির্মাণ করেন তারা। তবে পানি দ্রুত বাড়তে থাকায় বন্ধ করে দিতে হয় উপকেন্দ্রটি।

সূত্র: যুগান্তর