বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

একুশে পদক পাচ্ছেন ১৯ বিশিষ্ট নাগরিক ও দুই প্রতিষ্ঠান

দেশে বিভিন্ন অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় ১৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ২ প্রতিষ্ঠানকে চলতি বছর একুশে পদক প্রদান করা হবে বলে জানিয়েছে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়।আজ রোববার (১২ ফেব্রুয়ারি) উপসচিব বাবুল মিয়া স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। একুশে পদকের জন্য মনোনীত ১৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি হলেন- খালেদা মনযুর-ই-খুদা, বীর মুক্তিযোদ্ধা এ কে এম শামসুল হক (মরণোত্তর), হাজী মো. মজিবর রহমান, মাসুদ আলী খান, শিমুল ইউসুফ, মনোরঞ্জন ঘোষাল, গাজী আব্দুল হাকিম, ফজল-এ-খোদা (মরণোত্তর), জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, নওয়াজীশ আলী খান, কনক চাঁপা চাকমা, মমতাজ উদ্দীন (মরণোত্তর), মো. শাহ আলমগীর (মরণোত্তর), ড. মো. আবদুল মজিদ, প্রফেসর ড. মযহারুল ইসলাম (মরণোত্তর), মো. সাইদুল হক, অ্যাডভোকেট মঞ্জুরুল ইমাম (মরণোত্তর), আকতার উদ্দিন মিয়া (মরণোত্তর) ও ড. মনিরুজ্জামান (মরণোত্তর)। এ ছাড়া একুশে পদক পেতে যাওয়া দুই প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন।রাষ্ট্রের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘একুশে পদক’। মহান ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ১৯৭৬ সাল থেকে প্রতিবছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য সরকার এ পুরস্কার দিয়ে আসছে।

পুরস্কার হিসেবে প্রত্যেককে একটি স্বর্ণপদক, এককালীন অর্থ (চেক) ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

একুশে পদক পাচ্ছেন ১৯ বিশিষ্ট নাগরিক ও দুই প্রতিষ্ঠান

প্রকাশিত সময় : ০৯:৫১:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

দেশে বিভিন্ন অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় ১৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ২ প্রতিষ্ঠানকে চলতি বছর একুশে পদক প্রদান করা হবে বলে জানিয়েছে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়।আজ রোববার (১২ ফেব্রুয়ারি) উপসচিব বাবুল মিয়া স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। একুশে পদকের জন্য মনোনীত ১৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি হলেন- খালেদা মনযুর-ই-খুদা, বীর মুক্তিযোদ্ধা এ কে এম শামসুল হক (মরণোত্তর), হাজী মো. মজিবর রহমান, মাসুদ আলী খান, শিমুল ইউসুফ, মনোরঞ্জন ঘোষাল, গাজী আব্দুল হাকিম, ফজল-এ-খোদা (মরণোত্তর), জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, নওয়াজীশ আলী খান, কনক চাঁপা চাকমা, মমতাজ উদ্দীন (মরণোত্তর), মো. শাহ আলমগীর (মরণোত্তর), ড. মো. আবদুল মজিদ, প্রফেসর ড. মযহারুল ইসলাম (মরণোত্তর), মো. সাইদুল হক, অ্যাডভোকেট মঞ্জুরুল ইমাম (মরণোত্তর), আকতার উদ্দিন মিয়া (মরণোত্তর) ও ড. মনিরুজ্জামান (মরণোত্তর)। এ ছাড়া একুশে পদক পেতে যাওয়া দুই প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন।রাষ্ট্রের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘একুশে পদক’। মহান ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ১৯৭৬ সাল থেকে প্রতিবছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য সরকার এ পুরস্কার দিয়ে আসছে।

পুরস্কার হিসেবে প্রত্যেককে একটি স্বর্ণপদক, এককালীন অর্থ (চেক) ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়।