রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কমলাপুর স্টেশনের নতুন রূপ দেখলেন যাত্রীরা

ঈদযাত্রা মানেই ভিড়ের সঙ্গে হট্টগোল ও বিশৃঙ্খলা যেন চিরচেনা। আর শিডিউল বিপর্যয় তো থাকেই। তবে এবারের ঈদ যাত্রায় কমলাপুর রেলস্টেশনকে যেন নতুন রূপে দেখা গেলো। ছিল না কোনো শিডিউল বিপর্যয়। সুশৃঙ্খল পরিবেশে ট্রেনে উঠতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেন যাত্রীরা। সরকারি ছুটির প্রথম দিনে আজ বুধবার (১৯ এপ্রিল) কমলাপুর রেল স্টেশনে আগের দুদিনের মতো যাত্রীদের ভিড় লক্ষ করা গেছে। তবে টিকিট ছাড়া স্টেশনে প্রবেশ করতে পারেননি কেউ। চেক করা হয়েছে ৩টি স্থানে। যাত্রীদের দেখাতে হয়েছে এনআইডি কার্ড। সরেজমিনে ভিড় থাকলেও চিরচেনা হট্টগোল ও বিশৃঙ্খলা দেখা যায়নি স্টেশনে। এমন পরিবেশে বেশ খুশি যাত্রীরা। কয়েকটি ট্রেন কিছুট বিলম্বে ছাড়লেও সেটাকে শিডিউল বিপর্যয় বলা যায় না। স্বাভাবিক সময়েও এমন বিলম্ব হয়। স্টেশন ম্যানেজার মাসুদ সারওয়ার জানান, প্রতিটি ট্রেনে ২৫ শতাংশ স্টান্ডিং টিকিটের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। গার্মেন্টস ছুটি হলে যাত্রীর চাপ বাড়বে তখন এমন পরিবেশ বজায় রাখা চ্যালেঞ্জিং হবে। তবে রেল কর্তৃপক্ষের চেষ্টা থাকবে। প্রতিদিন ৫৫ জোড়া আন্তঃনগরসহ লোকাল ও মেইল ট্রেনে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ ঢাকা ছাড়ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

কমলাপুর স্টেশনের নতুন রূপ দেখলেন যাত্রীরা

প্রকাশিত সময় : ১০:৩১:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৩

ঈদযাত্রা মানেই ভিড়ের সঙ্গে হট্টগোল ও বিশৃঙ্খলা যেন চিরচেনা। আর শিডিউল বিপর্যয় তো থাকেই। তবে এবারের ঈদ যাত্রায় কমলাপুর রেলস্টেশনকে যেন নতুন রূপে দেখা গেলো। ছিল না কোনো শিডিউল বিপর্যয়। সুশৃঙ্খল পরিবেশে ট্রেনে উঠতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেন যাত্রীরা। সরকারি ছুটির প্রথম দিনে আজ বুধবার (১৯ এপ্রিল) কমলাপুর রেল স্টেশনে আগের দুদিনের মতো যাত্রীদের ভিড় লক্ষ করা গেছে। তবে টিকিট ছাড়া স্টেশনে প্রবেশ করতে পারেননি কেউ। চেক করা হয়েছে ৩টি স্থানে। যাত্রীদের দেখাতে হয়েছে এনআইডি কার্ড। সরেজমিনে ভিড় থাকলেও চিরচেনা হট্টগোল ও বিশৃঙ্খলা দেখা যায়নি স্টেশনে। এমন পরিবেশে বেশ খুশি যাত্রীরা। কয়েকটি ট্রেন কিছুট বিলম্বে ছাড়লেও সেটাকে শিডিউল বিপর্যয় বলা যায় না। স্বাভাবিক সময়েও এমন বিলম্ব হয়। স্টেশন ম্যানেজার মাসুদ সারওয়ার জানান, প্রতিটি ট্রেনে ২৫ শতাংশ স্টান্ডিং টিকিটের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। গার্মেন্টস ছুটি হলে যাত্রীর চাপ বাড়বে তখন এমন পরিবেশ বজায় রাখা চ্যালেঞ্জিং হবে। তবে রেল কর্তৃপক্ষের চেষ্টা থাকবে। প্রতিদিন ৫৫ জোড়া আন্তঃনগরসহ লোকাল ও মেইল ট্রেনে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ ঢাকা ছাড়ছে।