বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মৃত্যুদণ্ডের বিধান বাতিল করল জিম্বাবুয়ে

আনুষ্ঠানিকভাবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান বাতিল করেছে দক্ষিণ আফ্রিকার দেশ জিম্বাবুয়ে। দেশটির প্রেসিডেন্ট এমারসন মনানগাগওয়া এ সংক্রান্ত একটি আইনে স্বাক্ষর করেছেন। এর ফলে মৃত্যুদণ্ডে থাকা প্রায় ৬০ জন বন্দির সাজা পরিবর্তন হচ্ছে।

দেশটিতে সর্বশেষ ২০০৫ সালে ফাঁসি দিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল। যদিও আদালত হত্যা, রাষ্ট্রদ্রোহ এবং সন্ত্রাসবাদের মতো অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালের শেষের দিকে জিম্বাবুয়েতে ৬০ জনের মতো মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত মানুষ ছিলেন।

বিবিসি সূত্রে জানা গেছে, সরকারি এক প্রজ্ঞাপনে প্রকাশিত মৃত্যুদণ্ড বিলোপ আইন বলেছে, আদালত আর কোনো অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি প্রদান করতে পারবে না। এছাড়া যে কোনো বিদ্যমান মৃত্যুদণ্ডকে কারাবাসে রূপান্তরিত করতে হবে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এক বিবৃতিতে নতুন আইনটিকে ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসাবে স্বাগত জানিয়েছে। তবে জরুরি অবস্থার সময় মৃত্যুদণ্ডের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা যেতে পারে।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাটি বলেছে, আমরা কর্তৃপক্ষকে এখন দ্রুত মৃত্যুদণ্ডের সম্পূর্ণ বিলুপ্তির দিকে অগ্রসর হওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

মৃত্যুদণ্ডের বিধান বাতিল করল জিম্বাবুয়ে

প্রকাশিত সময় : ১১:১৫:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জানুয়ারী ২০২৫

আনুষ্ঠানিকভাবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান বাতিল করেছে দক্ষিণ আফ্রিকার দেশ জিম্বাবুয়ে। দেশটির প্রেসিডেন্ট এমারসন মনানগাগওয়া এ সংক্রান্ত একটি আইনে স্বাক্ষর করেছেন। এর ফলে মৃত্যুদণ্ডে থাকা প্রায় ৬০ জন বন্দির সাজা পরিবর্তন হচ্ছে।

দেশটিতে সর্বশেষ ২০০৫ সালে ফাঁসি দিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল। যদিও আদালত হত্যা, রাষ্ট্রদ্রোহ এবং সন্ত্রাসবাদের মতো অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালের শেষের দিকে জিম্বাবুয়েতে ৬০ জনের মতো মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত মানুষ ছিলেন।

বিবিসি সূত্রে জানা গেছে, সরকারি এক প্রজ্ঞাপনে প্রকাশিত মৃত্যুদণ্ড বিলোপ আইন বলেছে, আদালত আর কোনো অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি প্রদান করতে পারবে না। এছাড়া যে কোনো বিদ্যমান মৃত্যুদণ্ডকে কারাবাসে রূপান্তরিত করতে হবে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এক বিবৃতিতে নতুন আইনটিকে ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসাবে স্বাগত জানিয়েছে। তবে জরুরি অবস্থার সময় মৃত্যুদণ্ডের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা যেতে পারে।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাটি বলেছে, আমরা কর্তৃপক্ষকে এখন দ্রুত মৃত্যুদণ্ডের সম্পূর্ণ বিলুপ্তির দিকে অগ্রসর হওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।