শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আশুলিয়ায় ৬ মরদেহ পোড়ানোর মামলায় সাবেক এমপিসহ ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে আশুলিয়ায় ছয় মরদেহ পোড়ানো ও একজনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ঢাকা-১৯ আসনের সাবেক এমপি মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

একই মামলায় সাতজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। বাকি আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিলেও রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেওয়া শেখ আবজালুল হককে ক্ষমার আদেশ দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারিক প্যানেলে এই রায় ঘোষণা করেন।

অন্য দুই সদস্য হলেন—বিচারপতি মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারপতি নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
এই মামলার আসামি মোট ১৬ জন। তাদের মধ্যে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন আটজন আসামি। গ্রেপ্তার হওয়া আসামিরা হলেন—ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) মো. আব্দুল্লাহিল কাফী, ঢাকা জেলা পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহিদুল ইসলাম, পরিদর্শক মো. আরাফাত হোসেন, এসআই আবদুল মালেক, এসআই আরাফাত উদ্দিন, এএসআই কামরুল হাসান, শেখ আবজালুল হক ও কনস্টেবল মুকুল চোকদার।

তবে সাবেক এমপি সাইফুলসহ আটজন এখনো পলাতক রয়েছেন। পলাতক অন্যরা হলেন—ঢাকা রেঞ্জের সাবেক উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) সৈয়দ নুরুল ইসলাম, ঢাকা জেলার সাবেক পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান রিপন, আশুলিয়া থানার সাবেক ওসি এ এফ এম সায়েদ, সাবেক পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, সাবেক পুলিশ পরিদর্শক নির্মল কুমার দাস, সাবেক এএসআই বিশ্বজিৎ সাহা ও যুবলীগ কর্মী রনি ভূইয়া।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

আনুশকার রেকর্ড ভাঙলেন সামান্থা

আশুলিয়ায় ৬ মরদেহ পোড়ানোর মামলায় সাবেক এমপিসহ ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত সময় : ০৩:৩২:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে আশুলিয়ায় ছয় মরদেহ পোড়ানো ও একজনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ঢাকা-১৯ আসনের সাবেক এমপি মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

একই মামলায় সাতজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। বাকি আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিলেও রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেওয়া শেখ আবজালুল হককে ক্ষমার আদেশ দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারিক প্যানেলে এই রায় ঘোষণা করেন।

অন্য দুই সদস্য হলেন—বিচারপতি মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারপতি নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
এই মামলার আসামি মোট ১৬ জন। তাদের মধ্যে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন আটজন আসামি। গ্রেপ্তার হওয়া আসামিরা হলেন—ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) মো. আব্দুল্লাহিল কাফী, ঢাকা জেলা পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহিদুল ইসলাম, পরিদর্শক মো. আরাফাত হোসেন, এসআই আবদুল মালেক, এসআই আরাফাত উদ্দিন, এএসআই কামরুল হাসান, শেখ আবজালুল হক ও কনস্টেবল মুকুল চোকদার।

তবে সাবেক এমপি সাইফুলসহ আটজন এখনো পলাতক রয়েছেন। পলাতক অন্যরা হলেন—ঢাকা রেঞ্জের সাবেক উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) সৈয়দ নুরুল ইসলাম, ঢাকা জেলার সাবেক পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান রিপন, আশুলিয়া থানার সাবেক ওসি এ এফ এম সায়েদ, সাবেক পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, সাবেক পুলিশ পরিদর্শক নির্মল কুমার দাস, সাবেক এএসআই বিশ্বজিৎ সাহা ও যুবলীগ কর্মী রনি ভূইয়া।