মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ অধ্যাদেশ-২০২৬’ বিল পাস

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের সুরক্ষা ও তাদের দায় নির্ধারণের লক্ষ্যে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ অধ্যাদেশ-২০২৬’ বিল জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে পাস হয়েছে। আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে আইনটি পাস হয়।

সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি উত্থাপন করেন। পরে উত্থাপিত বিলে আপত্তি জানান কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন নিয়ে আপত্তি থাকার পরও সংসদে কণ্ঠভোটে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ অধ্যাদেশ-২০২৬’ বিল পাস হয়।স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশন চলছে।

হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণের লক্ষ্যে যে বিলটি উত্থাপন হয়েছে সেটিতে কমিশন বলতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কথা বলা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সংজ্ঞায় আমরা দেখতে পেয়েছি বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির অপরাধমূলক অপব্যবহার এর ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে রাজনৈতিক প্রতিরোধের পরিবর্তে সংকীর্ণ ও ব্যক্তিগত স্বার্থে যে হত্যাকাণ্ড হয়েছে এটাকে একভাবে দেখা হবে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের উদ্দেশে যে কার্যাবলী সংঘটিত হয়েছে তা একভাবে দেখা হবে।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ অধ্যাদেশ-২০২৬’ বিল পাস

প্রকাশিত সময় : ০৬:২৫:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের সুরক্ষা ও তাদের দায় নির্ধারণের লক্ষ্যে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ অধ্যাদেশ-২০২৬’ বিল জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে পাস হয়েছে। আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে আইনটি পাস হয়।

সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি উত্থাপন করেন। পরে উত্থাপিত বিলে আপত্তি জানান কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন নিয়ে আপত্তি থাকার পরও সংসদে কণ্ঠভোটে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ অধ্যাদেশ-২০২৬’ বিল পাস হয়।স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশন চলছে।

হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণের লক্ষ্যে যে বিলটি উত্থাপন হয়েছে সেটিতে কমিশন বলতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কথা বলা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সংজ্ঞায় আমরা দেখতে পেয়েছি বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির অপরাধমূলক অপব্যবহার এর ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে রাজনৈতিক প্রতিরোধের পরিবর্তে সংকীর্ণ ও ব্যক্তিগত স্বার্থে যে হত্যাকাণ্ড হয়েছে এটাকে একভাবে দেখা হবে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের উদ্দেশে যে কার্যাবলী সংঘটিত হয়েছে তা একভাবে দেখা হবে।’