বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মৌলভীবাজারে ১৩ ডাকাতের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড 

মৌলভীবাজারে ১৩ আসামীর বিরুদ্ধে ডাকাতির অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় দন্ডবিধির ৩৯৫ ধারায় যাবজ্জীবন সাজা প্রদান করা হয়েছে এবং প্রত্যেককে আরো ২৫ হাজার  টাকা করে অর্থদন্ড, অনাদায়ে ০১ বছর করে সাজা প্রদানের আদেশ দেয়া হয়েছে।
রাষ্ট্র বা বাদী পক্ষের দায়িত্বরত অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর এডভোকেট নিয়ামুল হক এর মাধ্যমে জানা যায়, ৫ মে মঙ্গলবার  অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৩য় আদালতের বিচারক  শামসাদ বেগম এই রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন মিলন, রাহেল, দুলাল, শাহেদ, সেলিম, সাতির, জুনাব আলী, কামাল, মকরম, নকুল, খোকন, জাকারিয়া, জামাল সকল আসামীদের বাড়ি কুলাউড়া উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে। রায় ঘোষণাকালীন সময় ০৩ জন আসামী উপস্থিত থাকায় তাদেরকে সাজা পরোয়ানায় হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে, বাকি আসামীরা পলাতক রয়েছেন তাদের প্রতি গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর আদেশ হয়েছে।
জানা যায়, কুলাউড়ার কর্মদা গ্রামের বাসিন্দা  মো: মারুফ আহমদ এর বসত ঘরে বিগত ২৮/০২/২০০৫ ইং তারিখে ডাকাতি ও ধর্ষণ সংঘঠিত হওয়ায় তিনি কুলাউড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর পর বিচারামলে মামলার রায় ঘোষণা করা হলো। তবে ধর্ষণ সক্রান্ত অভিযোগের জন্য আলাদা চার্জশীটের প্রেক্ষিতে নারী ও শিশু আদালতে আলাদা মামলা চলমান আছে।
রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট নিয়ামুল হক বলেন, তিনি রায়ে সন্তুষ্ট এই রায় অবশ্যই একটি দৃষ্টান্ত হিসাবে কাজ করবে, ডাকাতি একটি ভয়াবহ ঘটনা যা সমাজ, পরিবার, শারীরিক, মানসিকভাবে প্রভাব ফেলে। দৃষ্টান্তমুলক সাজা প্রদান সমাজ থেকে অপরাধ নির্মূলে কাজ করতে অবশ্যই গুরুত্ববহন করে।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

মৌলভীবাজারে ১৩ ডাকাতের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড 

প্রকাশিত সময় : ০৬:৫৭:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬
মৌলভীবাজারে ১৩ আসামীর বিরুদ্ধে ডাকাতির অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় দন্ডবিধির ৩৯৫ ধারায় যাবজ্জীবন সাজা প্রদান করা হয়েছে এবং প্রত্যেককে আরো ২৫ হাজার  টাকা করে অর্থদন্ড, অনাদায়ে ০১ বছর করে সাজা প্রদানের আদেশ দেয়া হয়েছে।
রাষ্ট্র বা বাদী পক্ষের দায়িত্বরত অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর এডভোকেট নিয়ামুল হক এর মাধ্যমে জানা যায়, ৫ মে মঙ্গলবার  অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৩য় আদালতের বিচারক  শামসাদ বেগম এই রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন মিলন, রাহেল, দুলাল, শাহেদ, সেলিম, সাতির, জুনাব আলী, কামাল, মকরম, নকুল, খোকন, জাকারিয়া, জামাল সকল আসামীদের বাড়ি কুলাউড়া উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে। রায় ঘোষণাকালীন সময় ০৩ জন আসামী উপস্থিত থাকায় তাদেরকে সাজা পরোয়ানায় হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে, বাকি আসামীরা পলাতক রয়েছেন তাদের প্রতি গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর আদেশ হয়েছে।
জানা যায়, কুলাউড়ার কর্মদা গ্রামের বাসিন্দা  মো: মারুফ আহমদ এর বসত ঘরে বিগত ২৮/০২/২০০৫ ইং তারিখে ডাকাতি ও ধর্ষণ সংঘঠিত হওয়ায় তিনি কুলাউড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর পর বিচারামলে মামলার রায় ঘোষণা করা হলো। তবে ধর্ষণ সক্রান্ত অভিযোগের জন্য আলাদা চার্জশীটের প্রেক্ষিতে নারী ও শিশু আদালতে আলাদা মামলা চলমান আছে।
রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট নিয়ামুল হক বলেন, তিনি রায়ে সন্তুষ্ট এই রায় অবশ্যই একটি দৃষ্টান্ত হিসাবে কাজ করবে, ডাকাতি একটি ভয়াবহ ঘটনা যা সমাজ, পরিবার, শারীরিক, মানসিকভাবে প্রভাব ফেলে। দৃষ্টান্তমুলক সাজা প্রদান সমাজ থেকে অপরাধ নির্মূলে কাজ করতে অবশ্যই গুরুত্ববহন করে।