বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজশাহী মেডিকেলে রোগ নির্ণয়ে যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এলো

রাজশাহী মেডিকেলে রোগ নির্ণয়ে যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এলো
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের রোগ নির্ণয়ে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। আগে ব্লাড কালচার অ্যান্ড সেনসিভিটি পরীক্ষার ফলাফলের জন্য যেখানে টানা তিন দিন বা ৭২ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হতো, এখন সেই রেজাল্ট জানা যাবে মাত্র দুই ঘণ্টায়।
হাসপাতালের আইসিইউ ইনচার্জ ডাঃ আবু হেনা মোস্তফা কামালের প্রচেষ্টায় রবিবার (২৮ জুন) হাসপাতালের আইসিইউ মাইক্রোবায়োলজি ল্যাবে ‘বায়োফায়ার ফিল্মঅ্যারে’ নামে ৬০ লাখ টাকা দামের একটি সর্বাধুনিক মেশিন বিনামূল্যে সংযোজন করা হয়েছে। এই মেশিনে গুরুতর অসুস্থ রোগীর মাত্র একটি পরীক্ষার মাধ্যমেই ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ও পরজীবীসহ ১০০টিরও বেশি রোগজীবাণু সুনির্দিষ্টভাবে শনাক্ত করতে পারবে। তবে এই পরীক্ষার জন্য রোগীর ১৬ হাজার থেকে ২১ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত খরচ হবে।
চিকিৎসকদের মতে, গুরুতর অসুস্থ রোগীদের ক্ষেত্রে সঠিক অ্যান্টিবায়োটিক নির্বাচন করতে যে দীর্ঘ সময় অপচয় হতো, এই যন্ত্রের কল্যাণে এখন তা কয়েক ঘণ্টায় নেমে আসবে। ফলে সঠিক সময়ে সঠিক ওষুধ প্রয়োগের মাধ্যমে বহু রোগীর প্রাণ রক্ষা করা সম্ভব হবে।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

আনুশকার রেকর্ড ভাঙলেন সামান্থা

রাজশাহী মেডিকেলে রোগ নির্ণয়ে যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এলো

প্রকাশিত সময় : ০৬:১৭:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
রাজশাহী মেডিকেলে রোগ নির্ণয়ে যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এলো
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের রোগ নির্ণয়ে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। আগে ব্লাড কালচার অ্যান্ড সেনসিভিটি পরীক্ষার ফলাফলের জন্য যেখানে টানা তিন দিন বা ৭২ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হতো, এখন সেই রেজাল্ট জানা যাবে মাত্র দুই ঘণ্টায়।
হাসপাতালের আইসিইউ ইনচার্জ ডাঃ আবু হেনা মোস্তফা কামালের প্রচেষ্টায় রবিবার (২৮ জুন) হাসপাতালের আইসিইউ মাইক্রোবায়োলজি ল্যাবে ‘বায়োফায়ার ফিল্মঅ্যারে’ নামে ৬০ লাখ টাকা দামের একটি সর্বাধুনিক মেশিন বিনামূল্যে সংযোজন করা হয়েছে। এই মেশিনে গুরুতর অসুস্থ রোগীর মাত্র একটি পরীক্ষার মাধ্যমেই ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ও পরজীবীসহ ১০০টিরও বেশি রোগজীবাণু সুনির্দিষ্টভাবে শনাক্ত করতে পারবে। তবে এই পরীক্ষার জন্য রোগীর ১৬ হাজার থেকে ২১ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত খরচ হবে।
চিকিৎসকদের মতে, গুরুতর অসুস্থ রোগীদের ক্ষেত্রে সঠিক অ্যান্টিবায়োটিক নির্বাচন করতে যে দীর্ঘ সময় অপচয় হতো, এই যন্ত্রের কল্যাণে এখন তা কয়েক ঘণ্টায় নেমে আসবে। ফলে সঠিক সময়ে সঠিক ওষুধ প্রয়োগের মাধ্যমে বহু রোগীর প্রাণ রক্ষা করা সম্ভব হবে।