ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য মিরর জানায়, ফাইনাল ম্যাচটি বড় পর্দায় দেখতে রাজধানীর প্রধান সড়কগুলোতে লাখো সমর্থক জড়ো হয়েছিলেন। তাদের প্রত্যাশা ছিল, লিওনেল মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জিতবে। তবে অতিরিক্ত সময়ে গোল হজম করে ১-০ ব্যবধানে হেরে যাওয়ায় সেই স্বপ্ন ভেঙে যায়।
ফাইনাল শেষে মাঠেও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। ম্যাচ শেষের বাঁশির পর স্পেনের এরিক গার্সিয়ার সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগে আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেসও লাল কার্ড দেখেন।
আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম ইনফোবায়ে জানায়, স্থানীয় সময় রাত প্রায় ১১টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত রাজধানীর উদ্যাপনের পরিবেশ শান্ত ছিল। পরে জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভ ওবেলিস্কের চারপাশে স্থাপিত নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেঙে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে একদল সমর্থকের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে।
আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে ভাঙা কাচ ও ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। একটি ছবিতে একজন পুলিশ সদস্যকে মাটিতে পড়ে থাকা এক সমর্থককে লাথি মারতে দেখা গেছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে পরাজয়ের পরও খেলোয়াড়দের সম্মান জানাতে জাতীয় ছুটি ঘোষণা করার ঘোষণা দিয়েছেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফ যেদিন উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত নেবেন, সেদিনই জাতীয় ছুটি ঘোষণা করা হবে।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পরও আর্জেন্টিনায় সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল এবং দলের দেশে ফেরাকে ঘিরে রাজধানী বুয়েনস আইরেসে ব্যাপক উদ্যাপন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। দ্যা টেলিগ্রাফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম 

























