সোমবার ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোড. আবুবকর সিদ্দীক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ের গঠিত একটি সেলের বিশেষ সভায় এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এ ছাড়া ৩ হাজার মন্দির, ৭৫২টি বৌদ্ধ বিহার ও ৩০১টি গির্জা সম্মানী ভাতা পাবে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে কর্মরত দুই লাখ ৫৬ হাজার ৭৪ জন ধর্মীয় নেতা। তারা সবাই রাষ্ট্রীয় এই সুবিধার আওতায় আসবেন।
গত অর্থবছরে একটি পাইলট প্রকল্পের আওতায় দেশের ছয় হাজার ১৭টি নির্বাচিত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও উপাসনালয়ে কর্মরত মোট ১৩ হাজার ৯৪৯ জনকে প্রথমবারের মতো সম্মানী দেওয়া হয়।
এ কার্যক্রমের অধীনে নির্বাচিত মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত, বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ও গির্জার যাজক প্রত্যেকে পাঁচ হাজার টাকা করে মাসিক সম্মানী পেয়ে থাকেন। অন্যদিকে মসজিদের মুয়াজ্জিন, মন্দিরের সেবাইত, বৌদ্ধ বিহারের উপাধ্যক্ষ ও গির্জার সহকারী যাজক তিন হাজার টাকা এবং মসজিদের খাদেম মাসিক দুই হাজার টাকা সম্মানী পান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে এ সম্মানী ভাতার জন্য প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে ১৫টি মসজিদ নির্বাচন করা হবে। পৌরসভাসমূহের মধ্য থেকে ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে চারটি, ‘খ’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ড হতে তিনটি এবং ‘গ’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে দুটি মসজিদ নির্বাচন করা হবে।
এ ছাড়া সিটি করপোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে ছয়টি করে মসজিদ নির্বাচন করা হবে। চলতি অর্থবছরে দেশের প্রতিটি উপজেলা থেকে পাঁচটি মন্দির নির্বাচন করা হবে, যার মধ্যে ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি হতে দুটি এবং অন্যান্য শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি থেকে একটি মন্দির নির্বাচন করা হবে। অবশিষ্ট মন্দির ইউনিয়ন পর্যায় থেকে নির্বাচন করা হবে। তবে বৌদ্ধবিহার ও গির্জার সংখ্যা জেলাভিত্তিক ২৫ শতাংশ হারে নির্ধারণ করা হবে।

রিপোর্টারের নাম 





















