মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডনের সেই অন্তরঙ্গ ছবির নেপথ্যের ঘটনা যা জানা গেল

কয়েক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল ডনের সঙ্গে এক নারীর অন্তরঙ্গ একটি ছবি। তারপর ছবিটি ঘিরে শুরু হয় নানা আলোচনা-সমালোচনা। অনেকেই দাবি করেন, ডনের সঙ্গে ছবিতে থাকা নারী সালমান শাহর স্ত্রী সামিরা। বিষয়টি নিয়ে জলঘোলা কম হয়নি। ছবিটির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর সে সময়  কথা বলেছিলেন সামিরা এবং সালমান শাহর বন্ধু মোস্তাক ওয়াইজের সঙ্গে।

বলে রাখা ভালো, সালমান শাহর মৃত্যুর পর তার বন্ধু মোস্তাক ওয়াইজকে বিয়ে করেন সামিরা। কয়েক বছর আগে তাদের দাম্পত্য জীবনে বিচ্ছেদ ঘটেছে। তখন ছবিটির বিষয়ে মোস্তাক ওয়াইজ জানিয়েছিলেন, ছবিতে ডনের সঙ্গে যে নারীকে দেখা যাচ্ছে, তিনি সামিরা নন; তিনি অভিনেত্রী সাবরিনা। সামিরার কাছ থেকেই ছবিটির নেপথ্যের ঘটনা জেনেছিলেন বলেও জানান তিনি।

মোস্তাক ওয়াইজ বলেন, “সামিরা আমাকে বলেছে এ ছবির পেছনের কাহিনি। এটা ‘আশা ভালোবাসা’ সিনেমার শুটিং চলাকালীন তোলা। ডনের সঙ্গে যে মেয়েটিকে দেখা যাচ্ছে, সে সামিরা নয়। ছবির মেয়ে নায়িকা সাবরিনা।”

ডন, সালমান শাহ ও সামিরা (বাঁ থেকে)

বিষয়টি ব্যাখ্যা করে মোস্তাক ওয়াইজ বলেন, “আশা ভালোবাসা’ সিনেমার মূল নায়িকা ছিলেন শাবনাজ, নায়ক সালমান শাহ। সাবরিনা ছিল সেই ছবির পার্শ্বনায়িকা। ডনের সঙ্গে দুষ্টুমি করে ঘরের ভেন্টিলেটরের ফাঁক দিয়ে ছবিটি তুলেছিলেন সালমান শাহ। এই ছবি নিয়ে সালমান শাহ বিভিন্ন সময় ডনের সঙ্গে দুষ্টুমি করেছেন।”

ডনের সঙ্গে সামিরার একটি আছে, বাকিগুলো ফটোশপ দিয়ে তৈরি বলে দাবি মোস্তাক ওয়াইজের। তিনি বলেন, “এছাড়া আরো একটি ছবি রয়েছে, সেখানে সামিরা ম্যাগাজিন দেখছিল, সালমান ছবি তুলছিল। তখন ডন হাত বাড়িয়ে দেয় ছবি তোলার জন্য। সে সময়ে ডনের সঙ্গে সামিরার একটি ছবি আছে। এছাড়া ডনের সঙ্গে সামিরার যে ছবিগুলো আপনারা দেখছেন বা দেখেন, সব ফটোশপের কারসাজি। সেগুলো ফটোশপের সাহায্য নিয়ে করা হয়েছে।”

বলে রাখা ভালো, মোস্তাক ওয়াইজ যখন এসব বক্তব্য দেন, তখন সামিরা ছিলেন তার স্ত্রী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডনের সঙ্গে তার ছবি ছড়িয়ে পড়া প্রসঙ্গে সে সময় সামিরা নিজেও অবস্থান পরিষ্কার করেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, তার একটি ছবি দেখিয়ে মিথ্যা কথা ছড়ানো হচ্ছে এবং না জেনে সালমান শাহর ভক্তরা তাকে ভুল বুঝছেন ও অপবাদ দিচ্ছেন।

ঘটনা ব্যাখ্যা করে সামিরা বলেছিলেন, “আমার একটি ছবি দেখিয়ে মিথ্যা কথা ছড়ানো হচ্ছে। ওর ভক্তরা না জেনে আমাকে ভুল বুঝছেন, অপবাদ দিচ্ছেন। তারা আসলে ইমনের ভালোবাসার মানুষকেই ছোট করছেন। ডন আমার ছোট ভাইয়ের মতো। সে প্রতি ঈদে আমার পা ছুঁয়ে সালাম করত। তার সঙ্গে জড়িয়ে যে নোংরা কথা ছড়ানো হচ্ছে শুনে ভীষণ লজ্জা পাচ্ছি।”

সালমান শাহর সঙ্গে সামিরা

ছবিটির নেপথ্যের ঘটনা বর্ণনা করে সামিরা বলেছিলেন, “যে ছবিটি নিয়ে কথা হচ্ছে, সেটা ‘আশা ভালোবাসা’ সিনেমার শুটিং চলাকালে তোলা। ডনের সঙ্গে যে মেয়েটিকে দেখা যাচ্ছে, সেটা আমি না। ছবিটির মেয়ে নায়িকা সাবরিনা। ‘আশা ভালোবাসা’ সিনেমার মূল নায়িকা ছিলেন শাবনাজ। নায়ক সালমান শাহ। সাবরিনা ছিল সেই সিনেমার পার্শ্বনায়িকা।”

মোস্তাক ওয়াইজের মতো সামিরারও ভাষ্য—ডনের সঙ্গে দুষ্টুমি করেই ঘরের ভেন্টিলেটরের ফাঁক দিয়ে ছবিটি তুলেছিলেন সালমান শাহ। আর সেই সময় সালমানের পায়ের নিচে থাকা টুলটি তিনি ধরেছিলেন। সামিরা বলেছিলেন, “কখনো স্বপ্নেও ভাবিনি এই ছবি আমার জীবনে এমন দুঃস্বপ্ন নিয়ে হাজির হবে। আমরা দুজনে মিলে দুষ্টুমি করে ছবিটি তুলেছিলাম। ইমন প্রাণশক্তিতে ভরপুর ছিল। সে সেটে সবাইকে মাতিয়ে রাখত। এ কথা সবাই জানে। এই ছবিটি তারই উদাহরণ।”

ডনের সঙ্গে তোলা ছবির ব্যাখ্যা দেন সামিরা। তিনি বলেছিলেন, “এই ছবি নিয়ে ইমন পরে বিভিন্ন সময় ডনের সঙ্গে দুষ্টুমি করেছে। এছাড়া আরো একটি ছবি রয়েছে, সেখানে আমি ম্যাগাজিন দেখছিলাম, ইমন ছবি তুলছিল। তখন ডন হাত বাড়িয়ে দেয় ছবি তোলার জন্য। সে সময়ের একটি ছবি আছে। এর বাইরে ডনের সঙ্গে আমার যে ছবিগুলো আপনারা দেখছেন বা দেখেন, সব ফটোশপের কারসাজি। সেগুলো ফটোশপের সাহায্য নিয়ে করা হয়েছে।”

সালমান শাহর সঙ্গে সামিরা

তবে সালমান শাহ ও তার পরিবারের বিষয়ে নেতিবাচক কোনো কথা বলতে চাননি সামিরা। তিনি বলেছিলেন, “ইমনকে নিয়ে বলতে হলে অনেক বিষয়ে কথা বলতে হবে। আমি ইমন ও তার পরিবার নিয়ে নেতিবাচক কোনো কথা বলতে চাই না।”

বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে তার কথা হয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন সামিরা। তার ভাষ্য, “বিষয়টি নিয়ে আমি একাধিকবার ডিবির সঙ্গে কথা বলেছি। প্রশাসন যেভাবে চেয়েছে, আমি সাহায্য করেছি। তারা এসব বিষয়ে আমাকে বিভিন্ন সময় জিজ্ঞাসাবাদও করেছেন। আমি সত্য কথাটাই সব সময় বলেছি।”

নব্বই দশকে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে ধূমকেতুর মতো আবির্ভাব হয়েছিল সালমান শাহর। মাত্র চার বছরের ক্যারিয়ারে ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করে তিনি পৌঁছে গিয়েছিলেন জনপ্রিয়তার শীর্ষে। ক্যারিয়ারের সাফল্যের তুঙ্গে থাকা অবস্থায়ই অর্থাৎ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রহস্যজনকভাবে মৃত্যুবরণ করেন এই নায়ক।

সালমান শাহর মৃত্যুর রহস্যের জট আজও পুরোপুরি খোলেনি। তার পরিবারের পক্ষ থেকে বরাবরই দাবি করা হয়েছে, তাকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় সন্দেহের আঙুল উঠেছিল তার স্ত্রী সামিরার দিকেও।

সালমান শাহর সঙ্গে সামিরা

১৯৯২ সালের ১২ আগস্ট, ভালোবেসে ঘর বাঁধেন সালমান শাহ-সামিরা। মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে সেই দাম্পত্য জীবনই পরিণত হয় গভীর শোকে। সালমান শাহর মৃত্যুর পর তার স্ত্রীকে ঘিরে নানা আলোচনা ও অভিযোগ তৈরি হয়, যার রেশ পরবর্তী সময়েও থেকে যায়। রাইজিংবিডি

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ডনের সেই অন্তরঙ্গ ছবির নেপথ্যের ঘটনা যা জানা গেল

প্রকাশিত সময় : ০৬:৪২:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

কয়েক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল ডনের সঙ্গে এক নারীর অন্তরঙ্গ একটি ছবি। তারপর ছবিটি ঘিরে শুরু হয় নানা আলোচনা-সমালোচনা। অনেকেই দাবি করেন, ডনের সঙ্গে ছবিতে থাকা নারী সালমান শাহর স্ত্রী সামিরা। বিষয়টি নিয়ে জলঘোলা কম হয়নি। ছবিটির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর সে সময়  কথা বলেছিলেন সামিরা এবং সালমান শাহর বন্ধু মোস্তাক ওয়াইজের সঙ্গে।

বলে রাখা ভালো, সালমান শাহর মৃত্যুর পর তার বন্ধু মোস্তাক ওয়াইজকে বিয়ে করেন সামিরা। কয়েক বছর আগে তাদের দাম্পত্য জীবনে বিচ্ছেদ ঘটেছে। তখন ছবিটির বিষয়ে মোস্তাক ওয়াইজ জানিয়েছিলেন, ছবিতে ডনের সঙ্গে যে নারীকে দেখা যাচ্ছে, তিনি সামিরা নন; তিনি অভিনেত্রী সাবরিনা। সামিরার কাছ থেকেই ছবিটির নেপথ্যের ঘটনা জেনেছিলেন বলেও জানান তিনি।

মোস্তাক ওয়াইজ বলেন, “সামিরা আমাকে বলেছে এ ছবির পেছনের কাহিনি। এটা ‘আশা ভালোবাসা’ সিনেমার শুটিং চলাকালীন তোলা। ডনের সঙ্গে যে মেয়েটিকে দেখা যাচ্ছে, সে সামিরা নয়। ছবির মেয়ে নায়িকা সাবরিনা।”

ডন, সালমান শাহ ও সামিরা (বাঁ থেকে)

বিষয়টি ব্যাখ্যা করে মোস্তাক ওয়াইজ বলেন, “আশা ভালোবাসা’ সিনেমার মূল নায়িকা ছিলেন শাবনাজ, নায়ক সালমান শাহ। সাবরিনা ছিল সেই ছবির পার্শ্বনায়িকা। ডনের সঙ্গে দুষ্টুমি করে ঘরের ভেন্টিলেটরের ফাঁক দিয়ে ছবিটি তুলেছিলেন সালমান শাহ। এই ছবি নিয়ে সালমান শাহ বিভিন্ন সময় ডনের সঙ্গে দুষ্টুমি করেছেন।”

ডনের সঙ্গে সামিরার একটি আছে, বাকিগুলো ফটোশপ দিয়ে তৈরি বলে দাবি মোস্তাক ওয়াইজের। তিনি বলেন, “এছাড়া আরো একটি ছবি রয়েছে, সেখানে সামিরা ম্যাগাজিন দেখছিল, সালমান ছবি তুলছিল। তখন ডন হাত বাড়িয়ে দেয় ছবি তোলার জন্য। সে সময়ে ডনের সঙ্গে সামিরার একটি ছবি আছে। এছাড়া ডনের সঙ্গে সামিরার যে ছবিগুলো আপনারা দেখছেন বা দেখেন, সব ফটোশপের কারসাজি। সেগুলো ফটোশপের সাহায্য নিয়ে করা হয়েছে।”

বলে রাখা ভালো, মোস্তাক ওয়াইজ যখন এসব বক্তব্য দেন, তখন সামিরা ছিলেন তার স্ত্রী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডনের সঙ্গে তার ছবি ছড়িয়ে পড়া প্রসঙ্গে সে সময় সামিরা নিজেও অবস্থান পরিষ্কার করেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, তার একটি ছবি দেখিয়ে মিথ্যা কথা ছড়ানো হচ্ছে এবং না জেনে সালমান শাহর ভক্তরা তাকে ভুল বুঝছেন ও অপবাদ দিচ্ছেন।

ঘটনা ব্যাখ্যা করে সামিরা বলেছিলেন, “আমার একটি ছবি দেখিয়ে মিথ্যা কথা ছড়ানো হচ্ছে। ওর ভক্তরা না জেনে আমাকে ভুল বুঝছেন, অপবাদ দিচ্ছেন। তারা আসলে ইমনের ভালোবাসার মানুষকেই ছোট করছেন। ডন আমার ছোট ভাইয়ের মতো। সে প্রতি ঈদে আমার পা ছুঁয়ে সালাম করত। তার সঙ্গে জড়িয়ে যে নোংরা কথা ছড়ানো হচ্ছে শুনে ভীষণ লজ্জা পাচ্ছি।”

সালমান শাহর সঙ্গে সামিরা

ছবিটির নেপথ্যের ঘটনা বর্ণনা করে সামিরা বলেছিলেন, “যে ছবিটি নিয়ে কথা হচ্ছে, সেটা ‘আশা ভালোবাসা’ সিনেমার শুটিং চলাকালে তোলা। ডনের সঙ্গে যে মেয়েটিকে দেখা যাচ্ছে, সেটা আমি না। ছবিটির মেয়ে নায়িকা সাবরিনা। ‘আশা ভালোবাসা’ সিনেমার মূল নায়িকা ছিলেন শাবনাজ। নায়ক সালমান শাহ। সাবরিনা ছিল সেই সিনেমার পার্শ্বনায়িকা।”

মোস্তাক ওয়াইজের মতো সামিরারও ভাষ্য—ডনের সঙ্গে দুষ্টুমি করেই ঘরের ভেন্টিলেটরের ফাঁক দিয়ে ছবিটি তুলেছিলেন সালমান শাহ। আর সেই সময় সালমানের পায়ের নিচে থাকা টুলটি তিনি ধরেছিলেন। সামিরা বলেছিলেন, “কখনো স্বপ্নেও ভাবিনি এই ছবি আমার জীবনে এমন দুঃস্বপ্ন নিয়ে হাজির হবে। আমরা দুজনে মিলে দুষ্টুমি করে ছবিটি তুলেছিলাম। ইমন প্রাণশক্তিতে ভরপুর ছিল। সে সেটে সবাইকে মাতিয়ে রাখত। এ কথা সবাই জানে। এই ছবিটি তারই উদাহরণ।”

ডনের সঙ্গে তোলা ছবির ব্যাখ্যা দেন সামিরা। তিনি বলেছিলেন, “এই ছবি নিয়ে ইমন পরে বিভিন্ন সময় ডনের সঙ্গে দুষ্টুমি করেছে। এছাড়া আরো একটি ছবি রয়েছে, সেখানে আমি ম্যাগাজিন দেখছিলাম, ইমন ছবি তুলছিল। তখন ডন হাত বাড়িয়ে দেয় ছবি তোলার জন্য। সে সময়ের একটি ছবি আছে। এর বাইরে ডনের সঙ্গে আমার যে ছবিগুলো আপনারা দেখছেন বা দেখেন, সব ফটোশপের কারসাজি। সেগুলো ফটোশপের সাহায্য নিয়ে করা হয়েছে।”

সালমান শাহর সঙ্গে সামিরা

তবে সালমান শাহ ও তার পরিবারের বিষয়ে নেতিবাচক কোনো কথা বলতে চাননি সামিরা। তিনি বলেছিলেন, “ইমনকে নিয়ে বলতে হলে অনেক বিষয়ে কথা বলতে হবে। আমি ইমন ও তার পরিবার নিয়ে নেতিবাচক কোনো কথা বলতে চাই না।”

বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে তার কথা হয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন সামিরা। তার ভাষ্য, “বিষয়টি নিয়ে আমি একাধিকবার ডিবির সঙ্গে কথা বলেছি। প্রশাসন যেভাবে চেয়েছে, আমি সাহায্য করেছি। তারা এসব বিষয়ে আমাকে বিভিন্ন সময় জিজ্ঞাসাবাদও করেছেন। আমি সত্য কথাটাই সব সময় বলেছি।”

নব্বই দশকে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে ধূমকেতুর মতো আবির্ভাব হয়েছিল সালমান শাহর। মাত্র চার বছরের ক্যারিয়ারে ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করে তিনি পৌঁছে গিয়েছিলেন জনপ্রিয়তার শীর্ষে। ক্যারিয়ারের সাফল্যের তুঙ্গে থাকা অবস্থায়ই অর্থাৎ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রহস্যজনকভাবে মৃত্যুবরণ করেন এই নায়ক।

সালমান শাহর মৃত্যুর রহস্যের জট আজও পুরোপুরি খোলেনি। তার পরিবারের পক্ষ থেকে বরাবরই দাবি করা হয়েছে, তাকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় সন্দেহের আঙুল উঠেছিল তার স্ত্রী সামিরার দিকেও।

সালমান শাহর সঙ্গে সামিরা

১৯৯২ সালের ১২ আগস্ট, ভালোবেসে ঘর বাঁধেন সালমান শাহ-সামিরা। মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে সেই দাম্পত্য জীবনই পরিণত হয় গভীর শোকে। সালমান শাহর মৃত্যুর পর তার স্ত্রীকে ঘিরে নানা আলোচনা ও অভিযোগ তৈরি হয়, যার রেশ পরবর্তী সময়েও থেকে যায়। রাইজিংবিডি