সোমবার (২৪ আগস্ট) এসংক্রান্ত নতুন আমদানিনীতি আদেশের গেজেট প্রকাশ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
নতুন আমদানিনীতি কার্যকর হলে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মাঝারি ও উচ্চক্ষমতার মোটরসাইকেল সরাসরি বাংলাদেশে আনার সুযোগ বাড়বে। ফলে দেশের বাজারে নতুন মডেল ও ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেলের সংখ্যা বাড়তে পারে।
বিশেষ করে ১৬৫ সিসির সীমার কারণে এতদিন যেসব আন্তর্জাতিক মডেল সরাসরি আমদানি করা সম্ভব ছিল না, নতুন নীতির ফলে সেগুলোর বাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরি হবে।
নতুন আমদানিনীতি আদেশে শুধু মোটরসাইকেল নয়, সামগ্রিক আমদানি প্রক্রিয়া সহজ ও সম্প্রসারণের জন্যও বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে।
নতুন নীতিতে ঋণপত্র বা এলসির পাশাপাশি কোনো মূল্যসীমা ছাড়াই ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে পণ্য আমদানির সুযোগ পাবেন শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের আমদানিকারকেরা। এ ছাড়া ফ্রি ট্রেড জোন বা মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল এবং সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়্যারহাউস প্রতিষ্ঠার বিধানও রাখা হয়েছে।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের শিল্প খাতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আমদানি সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য কাঁচামাল আমদানির সুযোগও বাড়ানো হয়েছে।
২০২১-২০২৪ সালের আমদানিনীতি আদেশেও এলসি ছাড়া ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে আমদানির সুযোগ ছিল। তবে বিভিন্ন পণ্য ও খাতের ক্ষেত্রে এ সুবিধার ওপর নির্দিষ্ট সীমা ও শর্ত আরোপ করা হয়েছিল।
সব মিলিয়ে, ৩৭৫ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল আমদানির অনুমতি দেশের বাইকের বাজারে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। এতে ক্রেতাদের জন্য বাড়তে পারে পছন্দের সুযোগ এবং আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলোর জন্যও বাংলাদেশের বাজারে প্রবেশের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 
























