কারণ আলোচিত সেই মোটরসাইকেলটির (ঢাকা মেট্রো-ল ৫১-৫৩২৪) রেজিস্ট্রেশনে দেওয়া দুটি মোবাইল নম্বরই ভুয়া বলে ধারণা করছে পুলিশ।
তবে তিনি দাবি করেছেন, ওই মোটরসাইকেলটি তার শোরুম থেকে বিক্রি হয়নি এবং কীভাবে তার নম্বর সেখানে গেল, তা তিনি জানেন না। অন্য একটি নম্বর দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ পাওয়া গেছে।
প্রসঙ্গত, বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টা ১৫ থেকে ৩টা ২০ মিনিটের দিকে বাইকের তিন আরোহীকে ঢাকার রাস্তায় দেখা যায়। ওমরাহ সফর শেষ করে বগুড়ায় ফেরার পথে মুফতি মনোয়ার হোসেন নামে এক ব্যক্তি আব্দুল্লাহপুর থেকে টঙ্গী পর্যন্ত একটি মোটরসাইকেলকে অনুসরণ করেন।
তিনি দেখতে পান, মোটরসাইকেল চালকের পেছনে বসা এক যুবক এক তরুণীকে জাপটে ধরে রেখেছেন। তরুণীটির পা দুটি খালি ছিল এবং অস্বাভাবিকভাবে নিথর হয়ে ঝুলছিল।
টঙ্গী পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে মোটরসাইকেল আরোহীদের শনাক্তের চেষ্টা চালাচ্ছে। রেজিস্ট্রেশনের অসংগতি ও মোবাইল নম্বর বন্ধ থাকায় ঘটনার রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।
ফেসবুক পোস্টটি ভাইরাল হওয়ার পর ‘জারা চৌধুরী রাত্রি’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে কমেন্টে দাবি করা হয়, মেয়েটি উত্তরার একটি বারে মদ্যপানের পর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন বলে তিনি দেখেছেন।
ওই আইডি থেকে কমেন্ট করা হয়, ‘এই মেয়েটা উত্তরায় একটি বারে মদ খেয়ে মাতাল হয়ে অসুস্থ হয়ে যায়। পরে তাকে হুইলচেয়ারে করে নিচে নামানো হয়। আমি ওই বারে ছিলাম। তাই বিষয়টি জানি।’
এই দাবি নিয়ে কয়েকজন ফেসবুক ব্যবহারকারী সন্দেহ প্রকাশ করলে আইডি থেকে পাল্টা রিপ্লাই দিয়ে বলা হয়, ‘এটা আজকের ঘটনা। আমি ড্রেস দেখে মেয়েটিকে চিনেছি। আমি শিওর হওয়ার পর আমার বন্ধুদের দেখালাম। ওরাও শিওর হলো যে ওই মেয়েটাই।’

ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 























