কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান জানান, ৬ ইঞ্চি করে গেট খোলার পর স্প্রিলওয়ে দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে পড়ছিল। পরে গেট ১ ফুট পর্যন্ত খোলায় পানিপ্রবাহ বেড়ে প্রায় ১৮ হাজার কিউসেকে দাঁড়িয়েছে।
গেট খোলার সময় কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা ছিল ১০৫ দশমিক ৯৮ ফুট এমএসএল। হ্রদের সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল। এর আগে শনিবার দুপুর ২টায় পানির উচ্চতা ছিল ১০৫ দশমিক ৬৪ ফুট। বিকেলের পর দ্রুত পানি বাড়তে থাকায় নির্ধারিত রাত ১০টার পরিবর্তে আগেই গেট খোলার সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ।
এদিকে, বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিটই বর্তমানে চালু রয়েছে। এসব ইউনিটের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩২ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে যাচ্ছে। স্প্রিলওয়ে দিয়ে পানি ছাড়ার সঙ্গে মিলিয়ে প্রাথমিক পর্যায়ে নদীতে মোট প্রায় ৪১ হাজার কিউসেক পানি পড়ছিল।
পানির চাপ আরও বাড়লে গেট পর্যায়ক্রমে বাড়িয়ে খোলা হতে পারে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি বিবেচনায় পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। গেট ২ ফুট পর্যন্ত খোলা হলে স্প্রিলওয়ে দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩৯ হাজার কিউসেক পানি ছাড়ার সক্ষমতা রয়েছে।
পানি নিষ্কাশনের কারণে কাপ্তাই, রাঙামাটি ও চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে হ্রদের পানির উচ্চতা, উজানের পানি প্রবাহ ও বৃষ্টিপাত পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছে কর্তৃপক্ষ।
চলতি বর্ষায় এ নিয়ে দ্বিতীয়বার কাপ্তাই বাঁধের জলকপাট খোলা হলো। এর আগে ১৮ জুলাই ১৬টি গেট খুলে পানি ছাড়া হয়েছিল। পরে হ্রদের পানি কমে গেলে ২৩ জুলাই গেটগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়।

ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 
























