শনিবার আবু দিস গ্রাম, আওয়ারা্তা শহর এবং বেইতার আজ-জাহরা এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে এসব ঘটনা ঘটে বলে ঘটনাস্থলে থাকা আল-জাজিরার সাংবাদিকেরা জানিয়েছেন।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, কিছুক্ষণ পর ইসরায়েলি সেনারা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তারা জলপাই সংগ্রহে থাকা ফিলিস্তিনি ও স্বেচ্ছাসেবীদের একত্র করে এবং স্বেচ্ছাসেবীদের এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বলে। বন্দুকের মুখে তাদের মাটিতে বসিয়ে রাখার পর সেখান থেকে চলে যেতে বাধ্য করা হয় বলেও দাবি করেন তিনি।
এদিকে নাবলুসের দক্ষিণে বেইতার জাবাল কামাস এলাকায় সাংবাদিকদের আটক ও তাদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থলে থাকা সাংবাদিকদের বরাত দিয়ে আল-জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নাবলুসের ওসারিন গ্রামে ফিলিস্তিনি ও সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হয়। এ সময় বাড়িঘরে হামলা, গাড়িতে পাথর নিক্ষেপ এবং কয়েকজন গ্রামবাসীকে মারধরের ঘটনাও ঘটে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বসতি স্থাপনকারীদের হামলা প্রতিহত করার চেষ্টা করেছেন বলেও জানিয়েছে ফিলিস্তিনি গণমাধ্যম।
ফিলিস্তিনি সূত্রগুলো বলছে, পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ও দমন-পীড়নের ঘটনা সাম্প্রতিক সময়ে বেড়েছে। বিশেষ করে ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজা যুদ্ধ শুরুর পর পশ্চিম তীরেও উত্তেজনা তীব্র হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় ৩০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। তাদের দাবি, ২০২২ সালের পর থেকে কোনো বছরে একই সময়ে বসতি স্থাপনকারীদের হাতে নিহতের সংখ্যা এত বেশি ছিল না।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম 























