আরেক আয়াতে এসেছে—‘যে দুনিয়া চায়, আমি সেখানে তাকে দ্রুত দিয়ে দিই, যা আমি চাই, যার জন্য চাই। তারপর তার জন্য নির্ধারণ করি জাহান্নাম, সেখানে সে প্রবেশ করবে নিন্দিত, বিতাড়িত অবস্থায়। আর যে আখিরাত চায় এবং তার জন্য যথাযথ চেষ্টা করে মুমিন অবস্থায়, তাদের চেষ্টা হবে পুরস্কারযোগ্য।’ (সুরা বনি ইসরাইল : আয়াত-১৮-১৯)।
তাকে হাজির করা হবে এবং আল্লাহ তার নিয়ামতরাশির কথা তাকে বলবেন এবং সে তার সবটাই চিনতে পারবে এবং যথারীতি তার স্বীকারোক্তিও করবে। তখন আল্লাহতায়ালা বলবেন, এর বিনিময়ে কি আমল করেছিলে? সে বলবে, আমি আপনার সন্তুষ্টির জন্য যুদ্ধ করেছি, এমনকি শেষ পর্যন্ত শহীদ হয়েছি। তখন আল্লাহতায়ালা বলবেন, তুমি মিথ্যা বলছ। তুমি বরং এজন্যই যুদ্ধ করেছিলে, যাতে লোকে তোমাকে বলে তুমি বীর। তা তো বলা হয়েছে। এরপর নির্দেশ দেওয়া হবে। সে মতে তাকে উপুড় করে হেঁচড়িয়ে নিয়ে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। তারপর এমন এক ব্যক্তির বিচার করা হবে, যে জ্ঞান অর্জন ও বিতরণ করেছে এবং কোরআন অধ্যয়ন করেছে। তখন তাকে হাজির করা হবে।
আল্লাহতায়ালা তার প্রদত্ত নিয়ামতের কথা তাকে বলবেন এবং সে তা চিনতে পারবে (এবং যথারীতি তার স্বীকারোক্তিও করবে)। তখন আল্লাহতায়ালা বলবেন, এত বড় নিয়ামত পেয়ে বিনিময়ে তুমি কী করলে? জবাবে সে বলবে, আমি জ্ঞান অর্জন করেছি এবং তা শিক্ষা দিয়েছি এবং আপনারই (সন্তুষ্টি লাভের) উদ্দেশ্যে কোরআন অধ্যয়ন করেছি। জবাবে আল্লাহতায়ালা বলবেন, তুমি মিথ্যা বলছ। তুমি তো জ্ঞান অর্জন করেছিলে এজন্য, যাতে লোকে তোমাকে জ্ঞানী বলে। কোরআন তিলাওয়াত করেছিলে এজন্য, যাতে লোকে বলে সে একজন কারি। তা বলা হয়েছে। তারপর আদেশ দেওয়া হবে এবং তাকেও উপুড় করে হেঁচড়িয়ে নিয়ে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।

ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 
























