ম্যাচের শুরু থেকেই দাপুটে ফুটবল খেলেছে সেলেসাওরা। সপ্তম মিনিটেই স্কটল্যান্ডের ডিফেন্ডার স্কট ম্যাককেনির দুর্বল ব্যাকপাসের সুযোগ নিয়ে ব্রাজিলের গোলের খাতা খোলেন গোলমেশিন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ২২ মিনিটে ভিনিসিয়ুস আবারও জালের দেখা পেলেও ভিএআর যাচাইয়ের পর মেক্সিকান রেফারি সিজার রামোস ফাউলের কারণে গোলটি বাতিল করেন।
ম্যাচের সবচেয়ে আবেগময় মুহূর্তটি আসে ৭৬ মিনিটে। দীর্ঘ ২ বছর ৮ মাস বা ৯৮১ দিনের দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ম্যাথিউস কুনহার বদলি হিসেবে মাঠে নামেন নেইমার জুনিয়র। এর মধ্য দিয়ে চতুর্থবারের মতো বিশ্বকাপে মাঠে নামার অনন্য কীর্তি গড়লেন ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ এই গোলদাতা। মাঠে যতক্ষণ ছিলেন, তার উপস্থিতি দলকে নতুন প্রাণশক্তি জুগিয়েছে।
এই জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে ব্রাজিল। অন্যদিকে, গ্রুপের অন্য ম্যাচে হাইতিকে ৪-২ ব্যবধানে হারালেও গ্রুপ রানার্সআপ হয়েছে মরক্কো। স্কটল্যান্ড সরাসরি বিদায় না নিলেও সেরা তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দলগুলোর একটি হিসেবে শেষ ৩২-এ ওঠার ক্ষীণ আশা টিকিয়ে রেখেছে।
গ্রুপ পর্বের বাধা টপকে নেইমারের প্রত্যাবর্তন এবং দলের ছন্দময় ফুটবল—সব মিলিয়ে নকআউট পর্বে ব্রাজিল এখন বড় কোনো অর্জনের স্বপ্ন দেখছে।

স্পোর্টস ডেস্ক/ ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম 
























