মেসি প্রথম ধাপে শীর্ষে ছিলেন, এমবাপে নকআউট রাউন্ডের শুরুতে তাকে ছাড়িয়ে যান, আর এখন তালিকায় নানা ধরনের পরিবর্তন এসেছে। নিচে তালিকা দেওয়া হলো।
গ্রুপ পর্বে ছয় গোল—প্রতি ম্যাচে গড়ে দুই গোলের অসাধারণ পারফরম্যান্স। চতুর্থ ম্যাচে কেপ ভার্দের বিপক্ষে আরও একটি গোল, পাশাপাশি কুটি-এর জন্য অ্যাসিস্ট এবং লিসান্দ্রো মার্টিনেজের গোলের জন্য ক্রস। ৩৯ বছর বয়সেও তিনি সময়কে যেন হার মানাচ্ছেন এবং দেখিয়েছেন তিনি এখনো এই খেলায় আধিপত্য বজায় রাখতে সক্ষম।
২. আর্লিং হালান্ড (নরওয়ে)
৩. কিলিয়ান এমবাপ্পে (ফ্রান্স)
সাত গোল ও দুটি অ্যাসিস্ট নিয়ে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে প্রভাবশালী খেলোয়াড়। দুর্দান্ত ফর্মে আছেন, নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং গতির মাধ্যমে, ডিফেন্স ভেঙে এবং দূরপাল্লার শটে নানা ধরনের গোল করছেন। প্যারাগুয়ের বিপক্ষে কঠিন ম্যাচে শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি থেকে গোল করেন।
৪. হ্যারি কেইন (ইংল্যান্ড)
ছয় গোল করে ইংল্যান্ডের শীর্ষ স্কোরার। দল যখন কঠিন সময়ে ছিল এবং বিদায়ের শঙ্কা দেখা দিয়েছিল, তার দুটি গোল কঙ্গোর বিপক্ষে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেয় এবং ইংল্যান্ডকে শেষ ষোলোতে তোলে। কোয়ার্টার ফাইনালে তার পেনাল্টি গোল মেক্সিকোকে কঠিন অবস্থায় রাখে।
টুর্নামেন্টে সর্বাধিক পাঁচটি অ্যাসিস্ট নিয়ে শীর্ষে। তিনি ফরোয়ার্ডদের জন্য সুযোগ তৈরি করেন; গোল না করেও তিনি টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। আরও কেন্দ্রীয় ও সৃজনশীল ভূমিকায় তিনি উজ্জ্বল।
৬. ভোজিনহা (কেপ ভার্দে)
কেপ ভার্দের গোলকিপার দলের স্বপ্নের নকআউট পর্বে ওঠার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। মেসির একের পর এক শট এবং ফ্রি-কিক থেকে দুর্দান্ত সেভ করে আর্জেন্টিনাকে কাঁপিয়ে দেন। তিনি দলের প্রতীক ও নায়ক হিসেবে বিশ্বকাপ শেষ করেন।
৭. জুলিয়ান কুইনোনেস (মেক্সিকো)
৮. আচরাফ হাকিমি (মরক্কো)
মরক্কোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। পিএসজির এই রাইট ব্যাক এখন পর্যন্ত অত্যন্ত স্থিতিশীল ও নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন।
৯. জুড বেলিংহ্যাম (ইংল্যান্ড)
ইংল্যান্ডের আশার অন্যতম প্রধান তারকা (কেইনের সঙ্গে)। দুই গোল এবং শেষ মুহূর্তের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে দলকে কোয়ার্টার ফাইনালে তুলেছেন। আক্রমণাত্মক ভূমিকায় ফিরে এসে দারুণ পারফরম্যান্স দিয়েছেন।
১০. উসমান দেম্বেলে (ফ্রান্স)
চার গোল ও দুটি অ্যাসিস্ট—দারুণ আক্রমণাত্মক অবদান। ডান উইংয়ে খেলেও নিজের পুরনো ছন্দে ফিরে এসে দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।
এই তালিকায় আরও আছেন
১১. ওরিয়ান নাইল্যান্ড (নরওয়ে)
১২. ভিনিসিয়ুস জুনিয়র (ব্রাজিল)
১৩. ড্যানিয়েল মুনিওজ (কলম্বিয়া)
১৪. অরল্যান্ডো গিল (প্যারাগুয়ে)
১৫. নেফতালি মানজাম্বি (সুইজারল্যান্ড)
১৬. লুইস দিয়াজ (কলম্বিয়া)
১৭. মাতিয়াস গালারজা ফোন্ডা (প্যারাগুয়ে)
১৮. মোহাম্মদ সালাহ (মিসর)
১৯. মিকেল ওয়ারিয়াবাল (স্পেন)
২০. এলিয়ট অ্যান্ডারসন (ইংল্যান্ড)
সূত্র: টিওয়াইসি স্পোর্টস

রিপোর্টারের নাম 























