তবে ম্যাচটির আগে পুরোপুরি স্বস্তিতে নেই লিওনেল স্কালোনির দল। আগের ম্যাচে অপেক্ষাকৃত দুর্বল কেপ ভার্দের বিপক্ষে কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে হয়েছিল লিওনেল মেসিদের। অল্পের জন্য হার এড়িয়ে পরের ধাপে উঠলেও দলের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট ছিলেন না স্কালোনি।
রক্ষণভাগে ইনজুরি কাটিয়ে পুরোপুরি ফিট হয়ে ফিরেছেন নিকোলাস তাগলিয়াফিকো। ফলে বাঁ-প্রান্তের ডিফেন্ডার হিসেবে তার ফেরার সম্ভাবনাই বেশি। তার জায়গায় খেলা ফাকুন্দো মেদিনা আগের ম্যাচে ভালো খেললেও ক্র্যাম্পের কারণে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল।
আক্রমণভাগেও রয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বিতা। ‘নাম্বার নাইন’ পজিশনে লাউতারো মার্টিনেজ ও হুলিয়ান আলভারেজের মধ্যে লড়াই চলছে। ইনজুরির কারণে টুর্নামেন্টের শুরুতে আলভারেজ পুরোপুরি ফিট না থাকায় সুযোগ পেয়েছিলেন লাউতারো। তবে কেপ ভার্দের বিপক্ষে তার নিষ্প্রভ পারফরম্যান্সের পর শুরু থেকেই আলভারেজকে নামানোর কথা ভাবছেন স্কালোনি।
অন্যদিকে, আক্রমণের দুই প্রান্তে গতি বাড়াতে থিয়াগো আলমাদার পরিবর্তে নিকোলাস গঞ্জালেসকেও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে। ২০২২ বিশ্বকাপেও টুর্নামেন্টের মাঝপথে সেরা কম্বিনেশন খুঁজে নিয়ে সাফল্য পেয়েছিলেন স্কালোনি। এবারও শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্যে একই পথে হাঁটছেন আর্জেন্টিনা কোচ।
মিসরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ:
এমিলিয়ানো মার্টিনেজ; নাহুয়েল মলিনা, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো (অথবা ফাকুন্দো মেদিনা); রদ্রিগো ডি পল, এনজো ফার্নান্দেজ, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, লিয়ান্দ্রো পারেদেস (অথবা নিকোলাস গঞ্জালেস); লিওনেল মেসি এবং হুলিয়ান আলভারেজ (অথবা লাউতারো মার্টিনেজ)।

স্পোর্টস ডেস্ক/ ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম 























