চলতি বছরে এটি টেনেসিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দ্বিতীয় ব্যর্থ চেষ্টা, যার ফলে পরিস্থিতি বিবেচনা করে ২০২৬ সালের অবশিষ্ট সময়ের জন্য রাজ্যের সমস্ত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করেছেন টেনেসির গভর্নর বিল লি।
গভর্নর বিল লি শনিবার জানান, ডিপার্টমেন্ট অব কারেকশনের কমিশনার ফ্রাঙ্ক স্ট্রাডা তার পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন এবং চলতি মাসেই তিনি দায়িত্ব হস্তান্তর করবেন। একই সঙ্গে অঙ্গরাজ্যের রাজধানী ন্যাশভিলের রিভারবেন্ড কারাগারে ঘটে যাওয়া এই ভয়াবহ ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন গভর্নর।
গভর্নর ভবনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শিগগিরই কারা বিভাগের একজন অন্তর্বর্তীকালীন কমিশনারের নাম ঘোষণা করা হবে।
তার এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে গভর্নর বিল লি এক বিবৃতিতে বলেন, কমিশনার স্ট্রাডা অত্যন্ত সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং এই সংকটময় মুহূর্তে অঙ্গরাজ্যের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার মানসিকতার জন্য তিনি তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন।
ক্রিস্টা পাইকের আইনজীবীরা অভিযোগ করেছেন, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগেই চিকিৎসকরা লিখিত সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন যে, পাইকের সূক্ষ্ম রক্তনালি এবং ‘থ্রম্বোসাইটোসিস’ নামক রক্তজনিত জটিলতার কারণে তার শরীরে শিরার ভেতরে ইনজেকশনের লাইন বসানো অত্যন্ত কঠিন ও বিপজ্জনক হবে। কিন্তু কারা কর্তৃপক্ষ সেই সতর্কবার্তাকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে তড়িঘড়ি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে গিয়ে এই মারাত্মক বিপর্যয় ঘটিয়েছে।
প্রসঙ্গত, ১৯৯৫ সালে ১৯ বছর বয়সী কলিন স্লেমারের ওপর শারীরিক নির্যাতন ও নির্মম হত্যাকাণ্ডের দায়ে প্রথম ডিগ্রির হত্যা মামলায় তিন দশক আগে দণ্ডিত হয়েছিলেন তৎকালীন ১৮ বছর বয়সী ক্রিস্টা পাইক।
সূত্র: রয়টার্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম 























