বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রুশ বাহিনী প্রত্যাহার না করলে যুদ্ধবিরতি নয়: জেলেনস্কি

ইউক্রেনের ভূখণ্ড থেকে রুশ বাহিনী প্রত্যাহার ছাড়া রাশিয়ার সঙ্গে কোনও যুদ্ধবিরতি হতে পারে না বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

বুধবার সংবাদমাধ্যমে এ কথা জানিয়েছেন জেলেনস্কি। তিনি বলেন, তার দেশ মস্কোর সঙ্গে এমন কোনও চুক্তি মেনে নিতে পারে না, যেখানে রুশ সেনাদের ইউক্রেনীয় ভূখণ্ডে অবস্থানের সুযোগ দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, চলমান সংঘাতের প্রথম ধাপে ইউক্রেনীয় বাহিনী রুশ আগ্রাসন প্রতিহত করেছে। দ্বিতীয় ধাপে ইউক্রেন তার ভূখণ্ড থেকে রুশ সেনাদের বিতাড়িত করবে। তৃতীয় ধাপে ভৌগোলিক অখণ্ডতা সম্পূর্ণরূপে পুনরুদ্ধারের পথে অগ্রসর হবে।

এর আগে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ক্রিমিয়ার ওপর রাশিয়ার সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী অঞ্চলগুলোর স্বাধীনতার স্বীকৃতিকে শত্রুতা থামানোর মূল শর্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

এদিকে ইউক্রেনে সামরিক সহায়তা পাঠানো নিয়ে ন্যাটোকে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু। তিনি বলেন, ইউক্রেনের উদ্দেশে পাঠানো অস্ত্র বা সামরিক সরঞ্জামের চালান তাদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।

উল্লেখ্য, এই যুদ্ধের শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য পশ্চিমা মিত্রদেশগুলো রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইউক্রেনকে অস্ত্র দিয়ে সহায়তা করে আসছে। এভাবে অস্ত্র সরবরাহ পরিস্থিতিকে আরও অবনতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে দাবি করছে রাশিয়া।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

রুশ বাহিনী প্রত্যাহার না করলে যুদ্ধবিরতি নয়: জেলেনস্কি

প্রকাশিত সময় : ০১:১৫:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মে ২০২২

ইউক্রেনের ভূখণ্ড থেকে রুশ বাহিনী প্রত্যাহার ছাড়া রাশিয়ার সঙ্গে কোনও যুদ্ধবিরতি হতে পারে না বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

বুধবার সংবাদমাধ্যমে এ কথা জানিয়েছেন জেলেনস্কি। তিনি বলেন, তার দেশ মস্কোর সঙ্গে এমন কোনও চুক্তি মেনে নিতে পারে না, যেখানে রুশ সেনাদের ইউক্রেনীয় ভূখণ্ডে অবস্থানের সুযোগ দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, চলমান সংঘাতের প্রথম ধাপে ইউক্রেনীয় বাহিনী রুশ আগ্রাসন প্রতিহত করেছে। দ্বিতীয় ধাপে ইউক্রেন তার ভূখণ্ড থেকে রুশ সেনাদের বিতাড়িত করবে। তৃতীয় ধাপে ভৌগোলিক অখণ্ডতা সম্পূর্ণরূপে পুনরুদ্ধারের পথে অগ্রসর হবে।

এর আগে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ক্রিমিয়ার ওপর রাশিয়ার সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী অঞ্চলগুলোর স্বাধীনতার স্বীকৃতিকে শত্রুতা থামানোর মূল শর্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

এদিকে ইউক্রেনে সামরিক সহায়তা পাঠানো নিয়ে ন্যাটোকে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু। তিনি বলেন, ইউক্রেনের উদ্দেশে পাঠানো অস্ত্র বা সামরিক সরঞ্জামের চালান তাদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।

উল্লেখ্য, এই যুদ্ধের শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য পশ্চিমা মিত্রদেশগুলো রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইউক্রেনকে অস্ত্র দিয়ে সহায়তা করে আসছে। এভাবে অস্ত্র সরবরাহ পরিস্থিতিকে আরও অবনতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে দাবি করছে রাশিয়া।