বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘মিনি ব্যাংক হিসেবে আমার বাড়ি ব্যবহার করতেন পার্থ’, দাবি অর্পিতার

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় তার বাড়িকে ‘মিনি ব্যাংক’ হিসেবে কাজে লাগাতেন। তবে ওই টাকায় নাকি কোনদিন হাতও দিয়ে দেখেননি তিনি। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) হেফাজতে এমনই বিস্ফোরক দাবি করেছেন মন্ত্রী ‘ঘনিষ্ঠ’ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়।

হিন্দুস্তান টাইমস, জিনিউজসহ ভারতের একাধিক গণমাধ্যম জানিয়েছে, শুক্রবার অর্পিতার টালিগঞ্জের অভিজাত আবাসনে হানা দেন ইডির কর্মকর্তারা। সেখানে একটি বন্ধ ঘর নজরে আসে তাদের। ওই বন্ধ ঘরে ঢুকে কার্যত বিস্মিত হয়ে গিয়েছিলেন তদন্তকারীরা। কারণ, ঘরে কার্যত পা ফেলার জায়গা ছিল না। চতুর্দিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল ২ হাজার এবং পাঁচশো টাকার নোটের বান্ডিল। বন্ধ ওয়ারড্রবের দরজা খুলেও টাকার পাহাড় দেখতে পান তারা। ম্যারাথন জেরার পর গ্রেপ্তার করা হয় অর্পিতাকে। আপাতত ইডি হেফাজতেই রয়েছেন তিনি।

ইতোমধ্যেই অর্পিতাকে একাধিকবার জেরা করেছে ইডি। প্রশ্ন একটাই, বিপুল টাকার উৎস কী? ইডি সূত্রে খবর, অর্পিতা দাবি করেছেন তার বাড়িকে ‘মিনি ব্যাংক’ হিসেবে কাজে লাগাতেন পার্থ। সপ্তাহে একদিন, আবার কখনো কখনো ১০দিন অন্তর একবার ওই ঘরে টাকা রাখতেন পার্থ।

ইতোমধ্যেই অর্পিতাকে একাধিকবার জেরা করেছে ইডি। প্রশ্ন একটাই, বিপুল টাকার উৎস কী? ইডি সূত্রে খবর, অর্পিতা দাবি করেছেন তার বাড়িকে ‘মিনি ব্যাংক’ হিসেবে কাজে লাগাতেন পার্থ। সপ্তাহে একদিন, আবার কখনো কখনো ১০দিন অন্তর একবার ওই ঘরে টাকা রাখতেন পার্থ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

‘মিনি ব্যাংক হিসেবে আমার বাড়ি ব্যবহার করতেন পার্থ’, দাবি অর্পিতার

প্রকাশিত সময় : ০৩:২০:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ জুলাই ২০২২

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় তার বাড়িকে ‘মিনি ব্যাংক’ হিসেবে কাজে লাগাতেন। তবে ওই টাকায় নাকি কোনদিন হাতও দিয়ে দেখেননি তিনি। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) হেফাজতে এমনই বিস্ফোরক দাবি করেছেন মন্ত্রী ‘ঘনিষ্ঠ’ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়।

হিন্দুস্তান টাইমস, জিনিউজসহ ভারতের একাধিক গণমাধ্যম জানিয়েছে, শুক্রবার অর্পিতার টালিগঞ্জের অভিজাত আবাসনে হানা দেন ইডির কর্মকর্তারা। সেখানে একটি বন্ধ ঘর নজরে আসে তাদের। ওই বন্ধ ঘরে ঢুকে কার্যত বিস্মিত হয়ে গিয়েছিলেন তদন্তকারীরা। কারণ, ঘরে কার্যত পা ফেলার জায়গা ছিল না। চতুর্দিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল ২ হাজার এবং পাঁচশো টাকার নোটের বান্ডিল। বন্ধ ওয়ারড্রবের দরজা খুলেও টাকার পাহাড় দেখতে পান তারা। ম্যারাথন জেরার পর গ্রেপ্তার করা হয় অর্পিতাকে। আপাতত ইডি হেফাজতেই রয়েছেন তিনি।

ইতোমধ্যেই অর্পিতাকে একাধিকবার জেরা করেছে ইডি। প্রশ্ন একটাই, বিপুল টাকার উৎস কী? ইডি সূত্রে খবর, অর্পিতা দাবি করেছেন তার বাড়িকে ‘মিনি ব্যাংক’ হিসেবে কাজে লাগাতেন পার্থ। সপ্তাহে একদিন, আবার কখনো কখনো ১০দিন অন্তর একবার ওই ঘরে টাকা রাখতেন পার্থ।

ইতোমধ্যেই অর্পিতাকে একাধিকবার জেরা করেছে ইডি। প্রশ্ন একটাই, বিপুল টাকার উৎস কী? ইডি সূত্রে খবর, অর্পিতা দাবি করেছেন তার বাড়িকে ‘মিনি ব্যাংক’ হিসেবে কাজে লাগাতেন পার্থ। সপ্তাহে একদিন, আবার কখনো কখনো ১০দিন অন্তর একবার ওই ঘরে টাকা রাখতেন পার্থ।