মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আত্মহত্যার কথা ভাবতেন দীপিকা!

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন এক সময় আত্মহত্যার কথা ভাবতেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে এমন অনুভূতির সময় মা-বাবাকে পাশে পেয়েছি।

পেশাগত চাপ, প্রেমের সম্পর্কে জটিলতা, আর্থিক সমস্যা ও পারিবারিক অশান্তি থেকে মুক্তির পথ হিসেবে আত্মহত্যাকেই এক সময় সহজ সমাধান ভেবেছেন বলিউডের এই তারকা। কিন্তু সে সময় তার মা-বাবা তাকে বুঝিয়েছিলেন, জীবন পালিয়ে নয়, জীবনের সমস্যাগুলোর মোকাবিলা জীবনেই করতে হবে। অভিনেত্রী বলেন, এক সময় প্রচণ্ড বিষণ্নতায় ভুগেছি আমি। বিষণ্নতার কারণে আত্মহত্যার মতো ভুল সিদ্ধান্তও নিয়ে ফেলেছিলাম। কিন্তু অভিভাবকরা পাশে থাকায় তা বাস্তবে রূপ দিইনি। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, কর্মজীবনে আমি অনেক ভালো ছিলাম। সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল। কিন্তু জীবনে তেমন কোনো বড় সমস্যাও ছিল না। তারপরও আত্মহত্যার মতো ভয়ংকর চিন্তা আমার মাথার মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছিল। প্রথমে এই সমস্যা বুঝতে পেরেছিলেন আমার মা। তিনি আমাকে নানা বিষয়ে প্রশ্ন করা শুরু করলেন। প্রেম কিংবা কাজ সংক্রান্ত নানা বিষয়ে আমার সঙ্গে খোলামেলা কথা বলতে শুরু করলেন। আর এসবের কোনো উত্তর আমি খুঁজে পাচ্ছিলাম না। মা তখনই বিষয়টি বুঝতে পারেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আত্মহত্যার কথা ভাবতেন দীপিকা!

প্রকাশিত সময় : ১১:০১:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ অগাস্ট ২০২২

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন এক সময় আত্মহত্যার কথা ভাবতেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে এমন অনুভূতির সময় মা-বাবাকে পাশে পেয়েছি।

পেশাগত চাপ, প্রেমের সম্পর্কে জটিলতা, আর্থিক সমস্যা ও পারিবারিক অশান্তি থেকে মুক্তির পথ হিসেবে আত্মহত্যাকেই এক সময় সহজ সমাধান ভেবেছেন বলিউডের এই তারকা। কিন্তু সে সময় তার মা-বাবা তাকে বুঝিয়েছিলেন, জীবন পালিয়ে নয়, জীবনের সমস্যাগুলোর মোকাবিলা জীবনেই করতে হবে। অভিনেত্রী বলেন, এক সময় প্রচণ্ড বিষণ্নতায় ভুগেছি আমি। বিষণ্নতার কারণে আত্মহত্যার মতো ভুল সিদ্ধান্তও নিয়ে ফেলেছিলাম। কিন্তু অভিভাবকরা পাশে থাকায় তা বাস্তবে রূপ দিইনি। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, কর্মজীবনে আমি অনেক ভালো ছিলাম। সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল। কিন্তু জীবনে তেমন কোনো বড় সমস্যাও ছিল না। তারপরও আত্মহত্যার মতো ভয়ংকর চিন্তা আমার মাথার মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছিল। প্রথমে এই সমস্যা বুঝতে পেরেছিলেন আমার মা। তিনি আমাকে নানা বিষয়ে প্রশ্ন করা শুরু করলেন। প্রেম কিংবা কাজ সংক্রান্ত নানা বিষয়ে আমার সঙ্গে খোলামেলা কথা বলতে শুরু করলেন। আর এসবের কোনো উত্তর আমি খুঁজে পাচ্ছিলাম না। মা তখনই বিষয়টি বুঝতে পারেন।