সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন অর্থনৈতিক সক্ষমতার প্রমাণ: স্পিকার

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী নিজস্ব অর্থে পদ্মা সেতুর মতো বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ও কারিগরী সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন।

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে ইউএনডিপির অ্যাসিসটেন্ট সেক্রেটারি জেনারেল কানি ভিগনারাজা সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠককালে স্পিকার এ মন্তব্য করেন।   শনিবার (১৩ আগস্ট) সংসদ সচিবালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, “স্বল্পোন্নত দেশের স্ট্যাটাস থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশের সঙ্গে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার সম্পর্কে বহুমাত্রিকতা যোগ হয়েছে।”

বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন আর বৈদেশিক সাহায্য নির্ভর নয়। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর মতো বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ তার অর্থনৈতিক ও কারিগরী সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে।
বর্তমানে বাংলাদেশের সেক্টরভিত্তিক দক্ষতা বৃদ্ধিসহ বহুমাত্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আরও বেশি কারিগরী সহযোগিতা প্রয়োজন।

কানি ভিগনারাজা স্পিকারের সঙ্গে একমত পোষণ করে বলেন, “ইউএনডিপি জাতিসংঘের নীতির আলোকে বাংলাদেশে সেক্টর ভিত্তিক কারিগরী সহযোগিতা জোরদার করতে কাজ করে যাচ্ছে। নতুন পরিস্থিতিতে কার্বন ট্র্যাডিং, সব ধরনের দূষণ প্রতিরোধ কিংবা সবুজ (পরিবেশ বান্ধব) উৎপাদন প্রক্রিয়া জোরদার করার ক্ষেত্রে দক্ষতা বিনিময়ের মতো ইস্যুগুলোতে বাংলাদেশ ও জাতিসংঘ একসঙ্গে কাজ করতে পারে।”

শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, “পরিবেশ সংরক্ষণ ও দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। সংসদ সদস্যরাও এসব কর্মকাণ্ডে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। সমকালীন বিশ্বব্যবস্থায় নতুন নতুন প্রযুক্তি আর জ্ঞান বিনিময়ের মতো বিষয়গুলোকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে ইউএনডিপি বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সঙ্গে কাজ করতে পারে।”

সভায় উপস্থিত ইউএনডিপির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ফ্রান্সিন পিকাপ স্পিকারকে অবহিত করেন যে, একটি অ্যাপ বাস্তবায়নের বিষয়ে ইউএনডিপি কারিগরী সহযোগিতা জোরালোকরণে কাজ করে যাচ্ছে। 

স্পিকার অ্যাপটি বাস্তবায়নের পেছনে চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরে বলেন, “এই অ্যাপে নির্বাচনী এলাকাভিত্তিক হালনাগাদ পরিসংখ্যানগুলোর প্রতিফলন থাকতে হবে। যাতে করে সংসদ সদস্যরা এই অ্যাপের মাধ্যমে স্ব স্ব নির্বাচনী এলাকার সেক্টর ভিত্তিক তথ্য-উপাত্তগুলো পেতে পারেন।”

বৈঠকে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত, জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের যুগ্মসচিব এম.এ কামাল বিল্লাহ এবং বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের কাউন্সিলর মোসা. শাহানারা মনিকা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন অর্থনৈতিক সক্ষমতার প্রমাণ: স্পিকার

প্রকাশিত সময় : ০৩:২৬:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২২

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী নিজস্ব অর্থে পদ্মা সেতুর মতো বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ও কারিগরী সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন।

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে ইউএনডিপির অ্যাসিসটেন্ট সেক্রেটারি জেনারেল কানি ভিগনারাজা সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠককালে স্পিকার এ মন্তব্য করেন।   শনিবার (১৩ আগস্ট) সংসদ সচিবালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, “স্বল্পোন্নত দেশের স্ট্যাটাস থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশের সঙ্গে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার সম্পর্কে বহুমাত্রিকতা যোগ হয়েছে।”

বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন আর বৈদেশিক সাহায্য নির্ভর নয়। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর মতো বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ তার অর্থনৈতিক ও কারিগরী সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে।
বর্তমানে বাংলাদেশের সেক্টরভিত্তিক দক্ষতা বৃদ্ধিসহ বহুমাত্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আরও বেশি কারিগরী সহযোগিতা প্রয়োজন।

কানি ভিগনারাজা স্পিকারের সঙ্গে একমত পোষণ করে বলেন, “ইউএনডিপি জাতিসংঘের নীতির আলোকে বাংলাদেশে সেক্টর ভিত্তিক কারিগরী সহযোগিতা জোরদার করতে কাজ করে যাচ্ছে। নতুন পরিস্থিতিতে কার্বন ট্র্যাডিং, সব ধরনের দূষণ প্রতিরোধ কিংবা সবুজ (পরিবেশ বান্ধব) উৎপাদন প্রক্রিয়া জোরদার করার ক্ষেত্রে দক্ষতা বিনিময়ের মতো ইস্যুগুলোতে বাংলাদেশ ও জাতিসংঘ একসঙ্গে কাজ করতে পারে।”

শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, “পরিবেশ সংরক্ষণ ও দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। সংসদ সদস্যরাও এসব কর্মকাণ্ডে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। সমকালীন বিশ্বব্যবস্থায় নতুন নতুন প্রযুক্তি আর জ্ঞান বিনিময়ের মতো বিষয়গুলোকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে ইউএনডিপি বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সঙ্গে কাজ করতে পারে।”

সভায় উপস্থিত ইউএনডিপির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ফ্রান্সিন পিকাপ স্পিকারকে অবহিত করেন যে, একটি অ্যাপ বাস্তবায়নের বিষয়ে ইউএনডিপি কারিগরী সহযোগিতা জোরালোকরণে কাজ করে যাচ্ছে। 

স্পিকার অ্যাপটি বাস্তবায়নের পেছনে চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরে বলেন, “এই অ্যাপে নির্বাচনী এলাকাভিত্তিক হালনাগাদ পরিসংখ্যানগুলোর প্রতিফলন থাকতে হবে। যাতে করে সংসদ সদস্যরা এই অ্যাপের মাধ্যমে স্ব স্ব নির্বাচনী এলাকার সেক্টর ভিত্তিক তথ্য-উপাত্তগুলো পেতে পারেন।”

বৈঠকে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত, জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের যুগ্মসচিব এম.এ কামাল বিল্লাহ এবং বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের কাউন্সিলর মোসা. শাহানারা মনিকা উপস্থিত ছিলেন।