বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নোয়াখালীতে বিয়ের প্রলোভনে তালাকপ্রাপ্ত নারীকে গণধর্ষণ

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তালাকপ্রাপ্ত নারীকে ডেকে নিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে ভুক্তভোগী নারীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে এ ঘটনায় গতকাল বুধবার রাতে ভুক্তভোগী নারী তিনজনকে আসামি করে হাতিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। গত মঙ্গলবার রাতে উপজেলার নলচিরা ইউনিয়নের একটি তরমুজ খেতের পাহারার টং ঘরে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিন সন্তানের জননী ওই নারীর এর আগে একাধিক বিয়ে হলেও বর্তমানে তিনি একা ছিলেন। সম্প্রতি তিনি পরিচিত এক ব্যক্তির কাছে নিজের জন্য পুনরায় পাত্র দেখার অনুরোধ করেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওই ব্যক্তি বিয়ের কথা বলে মোবাইল ফোনে তাকে ডেকে নেন। পরে তাকে একটি নির্জন তরমুজ খেতের টং ঘরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আগে থেকে ওত পেতে থাকা আরও দুজনসহ মোট তিনজন মিলে তাকে আটকে রেখে রাতভর ধর্ষণ করে বলে ভুক্তভোগী অভিযোগ করেছেন।

হাতিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, মৌখিক অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে একজনের নাম-পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। বাকি দুজনকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

নোয়াখালীতে বিয়ের প্রলোভনে তালাকপ্রাপ্ত নারীকে গণধর্ষণ

প্রকাশিত সময় : ১০:৩৪:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তালাকপ্রাপ্ত নারীকে ডেকে নিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে ভুক্তভোগী নারীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে এ ঘটনায় গতকাল বুধবার রাতে ভুক্তভোগী নারী তিনজনকে আসামি করে হাতিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। গত মঙ্গলবার রাতে উপজেলার নলচিরা ইউনিয়নের একটি তরমুজ খেতের পাহারার টং ঘরে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিন সন্তানের জননী ওই নারীর এর আগে একাধিক বিয়ে হলেও বর্তমানে তিনি একা ছিলেন। সম্প্রতি তিনি পরিচিত এক ব্যক্তির কাছে নিজের জন্য পুনরায় পাত্র দেখার অনুরোধ করেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওই ব্যক্তি বিয়ের কথা বলে মোবাইল ফোনে তাকে ডেকে নেন। পরে তাকে একটি নির্জন তরমুজ খেতের টং ঘরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আগে থেকে ওত পেতে থাকা আরও দুজনসহ মোট তিনজন মিলে তাকে আটকে রেখে রাতভর ধর্ষণ করে বলে ভুক্তভোগী অভিযোগ করেছেন।

হাতিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, মৌখিক অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে একজনের নাম-পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। বাকি দুজনকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।