বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাম্পে তেল সংকটের কারণ জানা গেল, নতুন বার্তা

ঈদের ছুটিতে ব্যাংক বন্ধ। এতে পে-অর্ডার করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে ডিপো থেকে নতুন করে তেল তুলতে পারছেন না পেট্রল পাম্পের মালিকরা। এ কারণে পাম্পে তেল সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলারস, ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক সাজ্জাদুল কবির।

ঈদের ছুটি শেষে আগামীকাল মঙ্গলবার খুলবে ব্যাংক। এরপর থেকে আবারও পাম্পে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে জানান তিনি।

পাম্প সংশ্লিষ্টরা জানান, ঈদের আগে রেশনিং পদ্ধতি চালু ছিল। যখন রেশনিং পদ্ধতি তুলে নেওয়া হয় তখন থেকেই ঈদের ছুটি শুরু হয়।

পে-অর্ডার ছাড়া ডিপো থেকে তেল উত্তোলন সম্ভব নয়। কিন্তু ব্যাংক বন্ধ থাকায় পাম্প মালিকরা পে-অর্ডার করতে পারছেন না, ফলে সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।
গত ৬ মার্চ জ্বালানি বিক্রিতে রেশনিং চালু করলেও ১৫ মার্চ তা তুলে নেয় সরকার। তবে সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়ায় সংকট কাটেনি।

বরং টানা ছুটির কারণে পরিস্থিতি আরো জটিল হয়েছে।
এদিকে রবিবার রাতে নিরাপত্তার স্বার্থে এবং তেল সরবরাহ না পাওয়ার কারণে যেকোনো সময় সারাদেশের পেট্রল পাম্প (ফিলিং স্টেশন) বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে নিজেদের ফেসবুক পেজে সতর্কবার্তা জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। ব্যাংক খুললেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

পাম্পে তেল সংকটের কারণ জানা গেল, নতুন বার্তা

প্রকাশিত সময় : ০২:২৭:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

ঈদের ছুটিতে ব্যাংক বন্ধ। এতে পে-অর্ডার করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে ডিপো থেকে নতুন করে তেল তুলতে পারছেন না পেট্রল পাম্পের মালিকরা। এ কারণে পাম্পে তেল সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলারস, ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক সাজ্জাদুল কবির।

ঈদের ছুটি শেষে আগামীকাল মঙ্গলবার খুলবে ব্যাংক। এরপর থেকে আবারও পাম্পে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে জানান তিনি।

পাম্প সংশ্লিষ্টরা জানান, ঈদের আগে রেশনিং পদ্ধতি চালু ছিল। যখন রেশনিং পদ্ধতি তুলে নেওয়া হয় তখন থেকেই ঈদের ছুটি শুরু হয়।

পে-অর্ডার ছাড়া ডিপো থেকে তেল উত্তোলন সম্ভব নয়। কিন্তু ব্যাংক বন্ধ থাকায় পাম্প মালিকরা পে-অর্ডার করতে পারছেন না, ফলে সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।
গত ৬ মার্চ জ্বালানি বিক্রিতে রেশনিং চালু করলেও ১৫ মার্চ তা তুলে নেয় সরকার। তবে সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়ায় সংকট কাটেনি।

বরং টানা ছুটির কারণে পরিস্থিতি আরো জটিল হয়েছে।
এদিকে রবিবার রাতে নিরাপত্তার স্বার্থে এবং তেল সরবরাহ না পাওয়ার কারণে যেকোনো সময় সারাদেশের পেট্রল পাম্প (ফিলিং স্টেশন) বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে নিজেদের ফেসবুক পেজে সতর্কবার্তা জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। ব্যাংক খুললেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।