রানার্সআপ আর্জেন্টিনা থেকে রয়েছেন দুজন। এ ছাড়া ইংল্যান্ড, নরওয়ে ও কেপ ভার্দের একজন করে ফুটবলার আছেন। ৪-৩-৩ ছকে সাজানো একাদশের গোলবারের নিচে আছেন কেপ ভার্দের ভোজিনিয়া। প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে এসে দুর্দান্ত সব সেভে আফ্রিকার দলটিকে আলোচনায় আনেন তিনি।
রক্ষণভাগে জায়গা পেয়েছেন স্পেনের মার্ক কুকুরেয়া ও পেদ্রো পোরো, আর্জেন্টিনার লিসান্দ্রো মার্তিনেজ এবং ফ্রান্সের দায়ো উপামেকানো। পুরো টুর্নামেন্টে এক মিনিটও মিস না করা কুকুরেয়া দুটি অ্যাসিস্ট করেছেন। স্পেনও বিশ্বকাপ জেতার পর পথে পুরো আসরে মাত্র এক গোল হজম করে সাতটি ক্লিন শিট রেখেছে।
মাঝমাঠে জায়গা পেয়েছেন স্পেনের রদ্রি, ফ্রান্সের মাইকেল ওলিসে এবং ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহ্যাম। বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেনের মাঝমাঠের প্রাণভোমরা ছিলেন রদ্রি। টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার গোল্ডেন বলও জিতেছেন তিনি। সেমিফাইনালে খেলা ফ্রান্সের হয়ে ৭টি অ্যাসিস্ট করেছেন ওলিসে। অন্যদিকে বেলিংহাম ইংল্যান্ডের হয়ে করেছেন সাত গোল।
অন্যদিকে ৩৯ বছর বয়সেও আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তুলতে বড় ভূমিকা রাখেন মেসি। পুরো টুর্নামেন্টে করেন ৮ গোল ও ৪ অ্যাসিস্ট। আর নরওয়ের বিশ্বকাপযাত্রা শেষ আটে থেমে গেলেও এর মধ্যেই সাত গোল করেন হালান্ড।
ফিফার বিশ্বকাপ সেরা একাদশ
গোলরক্ষক: ভোজিনিয়া (কেপ ভার্দে)।
রক্ষণভাগ: পেদ্রো পোরো (স্পেন), দায়ো উপামেকানো (ফ্রান্স), লিসান্দ্রো মার্তিনেজ (আর্জেন্টিনা), মার্ক কুকুরেয়া (স্পেন)।
আক্রমণভাগ: লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা), আর্লিং হালান্ড (নরওয়ে), কিলিয়ান এমবাপ্পে (ফ্রান্স)।

রিপোর্টারের নাম 

























