মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘ফিলিস্তিনিদের মানুষ হিসেবে দেখে না ট্রাম্প প্রশাসন’

মার্কিন মধ্যস্থতায় গাজা শান্তি পরিকল্পনা ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর প্রত্যাখ্যান করা এবং এর নেপথ্য কারণ নিয়ে সম্প্রতি বিশিষ্ট সাংবাদিক ও লেখক অ্যান্টনি লোয়েনস্টাইনের সঙ্গে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে চাঞ্চল্যকর মন্তব্য উঠে এসেছে। মার্কিন প্রশাসন ইচ্ছা করলেই ইসরায়েলকে যেকোনো চুক্তিতে বাধ্য করতে পারত বলে দাবি করেছেন তিনি।

লোয়েনস্টেইন বলেন, নেতানিয়াহুকে চাপে ফেলতে ওয়াশিংটনের হাতে অদম্য ক্ষমতা রয়েছে। মার্কিন প্রশাসন চাইলে ইসরায়েলে সামরিক ও আর্থিক সাহায্য বন্ধ করতে পারত এবং জাতিসংঘে তাদের ভোটদানের নীতি পরিবর্তন করতে পারত। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র কেন এই পথ বেছে নিচ্ছে না, তার ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, আসল সত্য হলো, তারা এটা করবে না। কারণ মূল কথা হলো—যারা যুক্তরাষ্ট্র চালায়, যেমন ট্রাম্প, জ্যারেড কুশনার ও স্টিফেন মিলার—তারা ফিলিস্তিনিদের মানুষ হিসেবে দেখে না এবং তাদের ইহুদি ইসরায়েলিদের সমান মনে করে না। আর এটিই এই চুক্তির বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত ও প্রধান সমস্যা।

বিশ্লেষকদের মতে, গাজা সংকটের এই জটিল পরিস্থিতিতে মার্কিন নীতি এবং মধ্যপ্রাচ্যে তাদের ভূমিকা নিয়ে এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। আল জাজিরা

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

‘ফিলিস্তিনিদের মানুষ হিসেবে দেখে না ট্রাম্প প্রশাসন’

প্রকাশিত সময় : ০৪:৩৬:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
মার্কিন মধ্যস্থতায় গাজা শান্তি পরিকল্পনা ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর প্রত্যাখ্যান করা এবং এর নেপথ্য কারণ নিয়ে সম্প্রতি বিশিষ্ট সাংবাদিক ও লেখক অ্যান্টনি লোয়েনস্টাইনের সঙ্গে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে চাঞ্চল্যকর মন্তব্য উঠে এসেছে। মার্কিন প্রশাসন ইচ্ছা করলেই ইসরায়েলকে যেকোনো চুক্তিতে বাধ্য করতে পারত বলে দাবি করেছেন তিনি।

লোয়েনস্টেইন বলেন, নেতানিয়াহুকে চাপে ফেলতে ওয়াশিংটনের হাতে অদম্য ক্ষমতা রয়েছে। মার্কিন প্রশাসন চাইলে ইসরায়েলে সামরিক ও আর্থিক সাহায্য বন্ধ করতে পারত এবং জাতিসংঘে তাদের ভোটদানের নীতি পরিবর্তন করতে পারত। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র কেন এই পথ বেছে নিচ্ছে না, তার ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, আসল সত্য হলো, তারা এটা করবে না। কারণ মূল কথা হলো—যারা যুক্তরাষ্ট্র চালায়, যেমন ট্রাম্প, জ্যারেড কুশনার ও স্টিফেন মিলার—তারা ফিলিস্তিনিদের মানুষ হিসেবে দেখে না এবং তাদের ইহুদি ইসরায়েলিদের সমান মনে করে না। আর এটিই এই চুক্তির বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত ও প্রধান সমস্যা।

বিশ্লেষকদের মতে, গাজা সংকটের এই জটিল পরিস্থিতিতে মার্কিন নীতি এবং মধ্যপ্রাচ্যে তাদের ভূমিকা নিয়ে এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। আল জাজিরা