দ্য জেরুজালেম পোস্টের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় ৪০ দিনব্যাপী মার্কিন-ইসরাইলি যুদ্ধের সময় প্রতিরক্ষা-শিল্প স্থাপনাগুলোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়া সত্ত্বেও এই পুনরুদ্ধার ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের বাইরে ইরানের সামরিক শিল্পের বিভিন্ন খাতেও বিস্তৃত।
২০২৬ সালের যুদ্ধের সময় দখলদার ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ২,৬০০-এর বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ও সামরিক-শিল্প স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করেছে এবং প্রায় ৩০,০০০ বিমান হামলা চালায়। ওয়াশিংটন ও তেলআবিব তখন বলেছিল যে তেহরানের উৎপাদন সক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তবে বর্তমান মূল্যায়ন ইঙ্গিত দেয় যে ইরান ইসরাইলের কল্পনার চেয়ে দ্রুত গতিতে নতুন ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন পুনরায় শুরু করেছে। প্রতিবেদনে উল্লিখিত পদ্ধতিগুলোর মধ্যে ছিল ক্ষতিগ্রস্ত ভূগর্ভস্থ স্থাপনা থেকে বুলডোজারের মাধ্যমে দ্রুত ধ্বংসাবশেষ অপসারণ, যা উৎপাদন পুনরায় চালু করতে সহায়তা করে।
জেরুজালেম পোস্টের মতে, যদি ইরান প্রতি মাসে ১০০ থেকে ৩০০টি ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন বজায় রাখে, তবে এটি ২০২৭ সালের শুরু বা মাঝামাঝি নাগাদ ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ের অস্ত্রাগারের মাত্রা পুনরুদ্ধার করতে পারবে এবং ২০২৮ সালের মধ্যে পুনরায় বড় ক্ষেপণাস্ত্র হুমকি হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই পরিস্থিতি ইসরায়েলের জন্য একটি কঠিন কৌশলগত দ্বিধা তৈরি করেছে। তেলআবিব ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র অবকাঠামোর ওপর আরেকটি হামলা চালাবে নাকি পারমাণবিক বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেবে, বিশেষত যেহেতু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে অগ্রাধিকার দিতে সামান্যই আগ্রহ দেখিয়েছেন।
সূত্র: জেরুজালেম পোস্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম 
























